অবসরে টাটা

Update: December 28, 2012 11:44 IST


একুশ বছর। চোদ্দ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকার কনগ্লোমারেট। বিশ্বের প্রথম সারির কর্পোরেট সংস্থা। বিগত ২১ বছর ধরে যাঁর নেতৃত্বে এই স্বপ্নের উড়ান তাঁর নাম রতন নভল টাটা। আজ ৭৫-এ পা দিলেন। আর আজই সংস্থার নিয়ম মেনে টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন তিনি। অবসর গ্রহণের পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ৪৪ বছরের সাইরাস মিস্ত্রি।

টাটা তাঁর বিদায়পত্রে সংস্থার সঙ্গে কাটানো স্মরণীয় মুহর্তগুলির কথা টেনে এনেছেন। চিঠিতে যেমন এসেছে কর্মচারীদের সঙ্গে কাটানো মুহুর্তের প্রসঙ্গ, তেমনই এসেছে টাটা মোটরসের কারখানায় কাটানো লৌহপুরুষের টুকরো টুকরো স্মৃতির কথা।

এতদিন ধরে সংস্থার দায়িত্বে থাকা রতন টাটা এদিন টুইট করে জানিয়েছেন, "সংস্থার ইউনিয়নের অনুরোধে আমি দিন কাটিয়েছি।" সংস্থার কর্মরত সমস্ত কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিদায়ী চেয়রম্যান।

একুশ বছর আগে জেআরডি টাটার উত্তরাধিকারী হয়ে টাটা গ্রুপের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। উত্থানের সিঁড়ি বেয়ে আজ পালনজি-তনয়ের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হবে। সাপুরজি পালনজি টাটা সনসের ১৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক। নওরজি সোউকতওয়ালার পর এই প্রথম টাটা পরিবারের বাইরের কেই চেয়ারম্যান পদে আসীন হতে চলেছেন।





Post Your Comment

Total Comments:2

Mr. Ratan Tata You are worthy son of India. I salute you. Though we don`t have you because of some foolish & selfish politicians` foolery still I wish to have you in West Bengal again. It`s my dream. I can`t bid you goodbye rather we have acute need of you. I hope, you will still lead the Tata Group.

WE HAVE LOTS LEARN FROM HIM WE WILL MISS RATAN TATA WE WISH HIM A LEADER TO THE TATA GROUP

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।