রেড ভেলভেট চেরি কেক রোল

Update: February 14, 2013 12:20 IST

আজকের দিনটা সবাই চায় একটু অন্যভাবে কাটাতে। প্রিয় মানুষটার সঙ্গে হয়তো প্ল্যান করতে চেয়েছিলেন কোনও রোম্যান্টিক ডিনার। কিন্তু মনটা খালি বলছে একটু অন্যরকম কিছু করতে পারলে ভাল হত। রোম্যান্টিক ডিনারটা বাড়িতেই কাটালে কেমন হয়? না হয় এদিন নিজের হাতেই বানালেন কিছু। ভ্যালেন্টাইনস ডে বলে লাল টুকটুকে একটা কেক আপনি বানিয়ে ফেলতেই পারেন।

কী কী লাগবে

কেকের জন্য

ময়দা-দেড় কাপ
চেরি ফ্লেভারড কোলা-২ কাপ
কোকো পাউডার-২ টেবিল চামচ
বেকিং পাউডার-আধ চা চামচ
বেকিং সোডা-আধ চা চামচ
নুন-আধ চা চামচ
চিনি-১ কাপ
ভেজিটেবল অয়েল-আধ কাপ
বাটার মিল্ক-১/৩ কাপ
ডিম-৩টে বড়
খাওয়ার লাল রং-১ চা চামচ
আমন্ড এক্সট্র্যাক্ট- ২ চা চামচ
ভ্যানিলা এসেন্স-আধ চা চামচ
সাদা মাখন-গ্রিজ করার জন্য
গুঁড়ো চিনি-ডাস্টের জন্য

ফিলিংয়ের জন্য

ক্রিম চিজ-৪ আউন্স
ঠান্ডা ঘন ক্রিম-দেড় কাপ
আমন্ড এক্সট্র্যাক্ট-২ চা চামচ
গুঁড়ো চিনি-১/৩ কাপ

কীভাবে বানাবেন

কেক-ওভেন ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে প্রি-হিট করুন। ১১ বাই ১৭ ইঞ্চি বেকিং শিট মাখন দিয়ে গ্রিজ করে অল্প ময়দা ছড়িয়ে দিন। মাঝারি আঁচে ১০ থেকে ১২ মিনিট কোলা গরম করে আধ কাপে নামিয়ে আনুন। ঠান্ডা করে নিন। ময়দা, কোকো পাউডার, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা আর নুন একটা বাটিতে মিশিয়ে নিন। অন্য একটা বাটিতে চিনি, ভেজিটেবল অয়েল, বাটার মিল্ক, ডিম, খাওয়ার রং, আমন্ড এক্সট্র্যাক্ট, ভ্যানিলা এসেন্স ও কোলা সিরাপ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। ময়দার মিশ্রণ চিনি-ডিম-বাটার মিল্কের মিশ্রণে আস্তে আস্তে মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। আগে থেকে গ্রিজ করে রাখা বেকিং শিটে মিশ্রণ ঢেলে ১৫ মিনিট বেক করুন। যতক্ষণ না বেকিং শিটের গা থেকে ছেড়ে আসে। ৫ মিনিট ঠান্ডা করে নিন। একটা টিস্যু পেপারে গুঁড়ো চিনি ছড়িয়ে তার ওপর বেকিং শিট উল্টে দিয়ে কেক বের করে নিন। গুঁড়ো চিনির মধ্যে কেক ভাল করে রোল করে নিন।

ফিলিং- ক্রিম চিজ, আধ কাপ ক্রিম আর আমন্ড এক্সট্র্যাক্ট একটা বড় বাটিতে নিন। বাকি ১ কাপ ক্রিম আর গুঁড়ো চিনি একসঙ্গে ফেটিয়ে নিন। দুটো মিশ্রণ একসঙ্গে মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। কেক গুঁড়ো চিনি থেকে তুলে উপরে ফিলিং স্প্রেড করে দিয়ে আবার রোল করে নিন। উপরে গুঁড়ো চিনি ছড়িয়ে দিন।







Post Your Comment

Total Comments:1

Sotti valo laglo kathagulo pode

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।