রেহমান-মনমোহন সাক্ষাৎ, প্রসঙ্গ সন্ত্রাস

Update: December 15, 2012 15:40 IST

সন্ত্রাসে মদত দেওয়া নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের অভিযোগ সুকৌশলে এড়িয়ে গেলেন পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী রেহমান মালিক। আজও হাফিজ সঈদ প্রসঙ্গে দাড় এড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। ২৬/১১ কাণ্ডের মূল চক্রী সঈদের শাস্তি প্রসঙ্গে উল্টে ভারতের বিরুদ্ধেই যথেষ্ট প্রমাণ না দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী।     
  
ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনে শনিবার প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেননের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী রেহমান মালিক। আলোচনার অনেকটাই জুড়ে ছিল ২৬/১১ মুম্বই হামলার প্রসঙ্গ। যদিও মুম্বই হামলার চক্রীদের শাস্তি প্রসঙ্গে কোনও প্রতিশ্রুতি মেলেনি পাকমন্ত্রীর কাছ থেকে। বৈঠকের প্রাপ্তি বলতে, দ্রুত তদন্ত শেষ করার জন্য পাকিস্তান থেকে বিচারবিভাগীয় কমিশন পাঠানোর আশ্বাস। প্রতিবেশী রাষ্ট্রে এই মামলার ধীর গতিতে বিচার নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে। এই প্রসঙ্গটিও কৌশলে এড়িয়ে যান রেহমান মালিক। হাফিজ সঈদের শাস্তির বিষয়ে এদিন ভারতের ঘাড়েই উল্টে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন তিনি। হাফিজ সঈদের বিরুদ্ধে ভারত কোনও প্রমাণ নয়, শুধু তথ্য দিয়েছে। এমনটাই অভিযোগ করেছেন মালিক।

কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য, হাফিজ সঈদ ইস্যুতে এদিন খোলাখুলিই হাত ধুয়ে ফেলার চেষ্টায় ছিলেন পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী। সন্ত্রাসদমন ইস্যুতে দুই দেশকে হাত মিলিয়ে একযোগে ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন রেহমান মালিক। তাঁর বক্তব্য, ভারত-পাকিস্তান দু'দেশই সন্ত্রাশের শিকার। সম্প্রীতিরক্ষা ও শান্তির বার্তার আড়ালে বাবরি কাণ্ডের মতো ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু তুলে আদতে পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।