ধোনির নির্বাসনে জায়গা হল ঋদ্ধির

Update: January 17, 2012 22:55 IST

অ্যাডিলেডে ভারতীয় উইকেটরক্ষকের গ্লাভস উঠতে চলেছে বাংলার ঋদ্ধিমান সাহার হাতে। ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির এক ম্যাচ নির্বাসন হওয়ায় এই টেস্টে সুযোগ এসেছে ঋদ্ধির সামনে। কিন্তু বাংলার ক্রিকেট মহলের মতে ঋদ্ধি যে রকম ছন্দে আছেন তাতে প্রথম এগারোয় আগেই সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল। বাংলার এই উইকেট রক্ষকের সতীর্থ মনোজ তেওয়ারি আশা করছেন অ্যাডিলেডেই ঋদ্ধি তাঁর যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে দেবেন। ঋদ্ধি, মনোজ ২ জনেই অস্ট্রেলিয়া সফরে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু সতীর্থ অশোক দিন্দা এবছর ভাল পারফর্ম করেও অস্ট্রেলিয়া সফরে সুযোগ পাননি বলেও বেশ হতাশ মনোজ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।