ডেঙ্গিতে মৃত্যু নিয়ে সংসদে ভুল তথ্য পেশ কাকলির

Update: November 30, 2012 19:38 IST

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হল। শুক্রবার লোকসভায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার দাবি করেন, এ রাজ্যে ডেঙ্গিতে কারও মৃত্যু হয়নি। ডেঙ্গি প্রতিরোধে রাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। অন্যদিকে পরিসংখ্যান দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুলাম নবি আজাদের বক্তব্য, কাকলিদেবীর দেওয়া তথ্য আদৌ ঠিক নয়।  

চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা পঞ্চাশেরও বেশি। প্রথম দিকে অবশ্য ডেঙ্গিতে মৃত্যুর ঘটনা মানতেই চায়নি রাজ্য সরকার। তবে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, নভেম্বরের ২৯ তারিখ পর্যন্ত ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ১১। অথচ লোকসভায় শুক্রবার এনিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য দিলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার।  
 
যদিও তৃণমূল সাংসদের এই তথ্যকে সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুলাম নবি আজাদ। তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের দাবি, তিনি রাজ্য সরকারের রিপোর্ট থেকেই তথ্য উদ্ধৃত করেছেন। অথচ স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েবসাইটে রয়েছে অন্য তথ্য। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি স্বাস্থ্য দফতর এবং রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে? নাকি ডেঙ্গি নিয়ে প্রকৃত তথ্য আড়াল করার চেষ্টা চলছে।


Post Your Comment

Total Comments:3

Proti mase eto taka salary peye-o era vul information parlament e bol6e. Lekha pora koto dur?

SMT.GHOSH DOSTIDAR TRINOMULER MP, ONER NATRI SODA SORBODAI ASOTYO TATHYA DIYA THEKEN UNI TAI KORECHEN ANNYAI KICHU NAI

Earlier it was 1. Now added 1. Hence 1+1=11 It is simple arithmetic. ALL ELSE IS RUBBISH.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।