দল নির্দেশ দিলে শোভনদেবের কাছে ক্ষমা চাইবেন মম্মথ

Update: December 3, 2012 22:42 IST

দল নির্দেশ দিলে তিনি ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত। আজ একথা জানিয়ে দিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিগ্রহের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মন্মথ বিশ্বাস। কিন্তু, ঘটনার চারদিন কেটে গেলেও দল এখনও কেন সেই নির্দেশ পাঠালো না তা নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীরা সোমবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হন।

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে হেনস্থার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান ঘিরে ফের একবার বিতর্ক তৈরি হল। মূল অভিযুক্ত মন্মথ বিশ্বাসের দাবি, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে তিনি ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত। ঘটনাস্থলে সেদিন তিনি ছিলেন না বলে দাবি করলেও অভিযুক্তের বক্তব্য তাঁর বা তাঁর দলের অন্য কারও আচরণে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আহত হলে তাঁর ক্ষমা চাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা নেই। তবে সেক্ষেত্রে দলকেই তাঁকে নির্দেশ দিতে হবে বলে দাবি মন্মথ বিশ্বাসের । ফলে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে ঘটনার পর চারদিন কেটে গেলেও কেন দলের পক্ষ থেকে এখনও সেই নির্দেশ দেওয়া হল না। শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনায় মন্মথ বিশ্বাসের নামে বারবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ তুললেও দলের পক্ষ থেকে এবিষয়ে তার কাছে এখনও পর্যন্ত কোনও কৈফিয়তও তলব করা হয়নি বলেও দাবি অভিযুক্তের।

এদিকে সোমবারই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীরা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ মিছিল করেন। তৃণমূল কংগ্রেস এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গোটা ঘটনায় কেন ব্যবস্থা নিল না সেই বিষয়ে সরব হন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যে দলের প্রথম শ্রেনীর নেতা সেই  তৃণমূল কংগ্রেস এখনও গোটা বিষয় নিয়ে চুপ। আর দলের এই নীরবতা ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। তবে কি দলের কাছে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন মন্মথ বিশ্বাস? প্রশ্ন উঠছে দলের অন্দরেই।


Post Your Comment

Total Comments:2

SOVONBABU, JE DIN NAKSHAL NETA PURNENDU BOSEKE INTTUCER CHAIRMAN KORLO SAIDIN BOGHA GECHILO JE AAPNER DIN TRINOMULE FURIA GECHE.AAPNAKE SORIA JOKHON APNER FOLLOWERDER SONKHYA KOMCHENA TAKHON ETA OPRTALA THEKAIKORA HOYACHE BOLE MONE HOI. DOLA SEN BA PURNENDU BOSE KAROKE EKTA KATHA BOLTE DEKHA JACHHE NA.ETA EKHONO APNER BOJHA UTCHIT.

মন্তব্য করতেও ঘৃণা বোধ হয়।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।