বিকল্প নেই তাই বিতর্কিত গড়কড়িই সভাপতি থেকে গেলেন

Update: January 20, 2013 20:08 IST

বিতর্কের বেড়াজাল থাকা সত্ত্বেও, দ্বিতীয়বারের জন্য বিজেপি সভাপতি হতে চলেছেন নীতিন গড়কড়ি। তাও আবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। আজই ভারতীয় জনতা পার্টি দলীয় সভাপতি নির্বাচনের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সভাপতি পদের জন্য বিকল্প প্রার্থী না মেলায়, গড়কড়ির নামেই ঐকমত্যে পৌঁছেছে বিজেপি। রাজপুতদের শহর থেকে শনিবারই সেনাপতির নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। তারুণ্যের কাঁধে ভর করে দল যখন হাতের জোর বাড়াতে চাইছে, তখন সেনাপতি ঠিক করতে তত্পর হয়েছে বিজেপি শিবিরও।

রবিবারই দলীয় সভাপতি নির্বাচনের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিজেপি। যে নীতিন গড়কড়িকে নিয়ে দলের এত মাথাব্যথা, শেষ পর্যন্ত তিনিই বিজেপি সভাপতি হওয়ার দিকে নিষ্কন্টক ভাবে এগোচ্ছেন। সূত্রের খবর, ২৩ জানুয়ারি গড়কড়ি তাঁর মনোনয়ন দাখিল করতে পারেন। মনোনয়ন দখলের ছাড়পত্র পেয়ে গেলে গড়কড়ির সভাপতি হওয়া একরকম পাকা। কারণ এই নির্বাচনে আর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বীই নেই।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।