টাকার দামে রেকর্ড পতন

Update: May 21, 2012 20:27 IST

কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বাজারে টাকার বিপর্যয় অব্যাহত। সোমবার বাজার বন্ধের সময় প্রতি ডলারের নিরিখে টাকা দাম দাঁড়াল ৫৫টাকা ৩ পয়সায়। যা একটি সর্বকালীন রেকর্ড।

সোমবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই মুম্বইয়ে ইন্টার ব্যাঙ্ক ফরেন এক্সচেঞ্জ বা আন্তর্ব্যাঙ্ক বিদেশি মুদ্রা বিনিময়ের বাজারে টাকার দাম এক ঝটকায় পড়ে যায়। তখন টাকার দাম ছিল ডলার পিছু ৫৪ টাকা ৭০ পয়সা। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, রাষ্ট্রায়ত্ত তেল আমদানিকারী সংস্থাগুলির কাছে ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়াই টাকার পতনের মূল কারণ। কারণ, একই সঙ্গে বিদেশি মুদ্রা বিনিময়কারী ব্যাঙ্কগুলির কাছেও ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়। বিদেশি মুদ্রা বিনিময়কারী ব্যাঙ্কগুলির থেকেই তেল আমদানিকারী সংস্থাগুলিকে টাকার বিনিময়ে ডলার দিয়ে থাকে। এই পরিস্থিতিতে ডলারের প্রবল চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি বিনিময় বাজার। তাই টাকার দাম পড়ে যায় অনেকটাই। টাকার দাম ব্যাপক পড়ে যাওয়ায় দেশে মুদ্রাস্ফীতি অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার এবং দ্রব্যমূল্যবৃদ্দির আশঙ্কা করছে বিভিন্ন আর্থিক সংস্থা ও ব্যাঙ্ক। এই পরিস্থিতিতে টাকার অবমূল্যায়ন ঠেকাতে দ্রুত রিজার্ভ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।