ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ রুশ বিমান

Update: May 9, 2012 20:16 IST

ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ হল একটি রুশ বিমান। বুধবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার দক্ষিণে সালাক পার্বত্য এলাকায় নিখোঁজ হয়ে যায় রাশিয়ায় নির্মিত অসামরিক বিমান সুখোই সুপারজেট ১০০। বিমানটিতে ৪৮ জন যাত্রী ছিল। বিমানটি ভেঙে পড়েছে কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

ইন্দোনেশিয়ার অসামরিক বিমান মন্ত্রক সূত্রে খবর, এশিয়ার ৬টি দেশে রুশ বিমানটির কার্যকুশলতা প্রদর্শনের জন্য বুধবার ইন্দোনেশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সে দেশে দুদিন থাকার কথা ছিল বিমানটির। এদিন ইন্দোনেশিয়ায় রুশ দূতাবাসের প্রতিনিধি, কয়েকটি স্থানীয় বিমান পরিবহণ সংস্থার প্রতিনিধি ও কয়েকজন সাংবাদিক নিয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ২টো ২১ মিনিটে জাকার্তার হালিম পারদেনাকুসুমা বিমান বন্দর থেকে রওনা হয়। সালাক পর্বতের কাছে যাওয়ার ১২ মিনিট পর বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে এখনও বিমানটির কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। দুটি হেলিকপ্টারে বিমানটির তল্লাসি শুরু করেছে সেনা, পুলিস ও বায়ুসেনা। খারাপ আবহাওয়ার জন্যই বিমানটি নিখোঁজ হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।