পদত্যাগ করলেন এস এম কৃষ্ণা

Update: October 26, 2012 16:41 IST

বিদেশমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন এস এম কৃষ্ণা। রবিবার মন্ত্রিসভার রদবদল প্রায় নিশ্চিত। মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা মাথায় রেখেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি পূর্ব পরিকল্পিত লাওস সফরও বাতিল করেন কৃষ্ণা।

যদিও বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই ইস্তফার কোনও ব্যখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে দলীয় সুত্রে জানানো হয়েছে, কর্নাটকে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ার জন্যই এস এম কৃষ্ণাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেয় কংগ্রেস হাইকম্যান্ড।

বৃহস্পতিবারই কর্নাটকে মাইসোর-ব্যাঙ্গালুরু এক্সপ্রেস ওয়ে নির্মাণের জমি অধিগ্রহণের একটি মামলায় খোদ বিদেশমন্ত্রী কৃষ্ণার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয় কর্নাটক লোকায়ুক্ত। প্রসঙ্গগত, গত চার বছর যাবত বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন কৃষ্ণা।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।