বিদায়ী টেস্ট ম্যাচের দু`দিনের মধ্যে সচিনকে ভারতরত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রধানমন্ত্রী দফতর

প্রথম ইউপিএ সরকারের আমল থেকেই, সচিনকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি উঠেছে বারবার। প্রতিবারই নীরব থেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু, সচিন বিদায়ী টেস্ট খেলতে নামতেই তৎপর হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তার দু`দিনের মধ্যেই ঘোষণা হয়ে যায় সর্বকনিষ্ঠ ভারতরত্ন প্রাপকের নাম। তথ্যের অধিকার আইনে সামনে এসেছে সেই তথ্য।

Updated: Feb 4, 2014, 07:30 PM IST

প্রথম ইউপিএ সরকারের আমল থেকেই, সচিনকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি উঠেছে বারবার। প্রতিবারই নীরব থেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু, সচিন বিদায়ী টেস্ট খেলতে নামতেই তৎপর হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তার দু`দিনের মধ্যেই ঘোষণা হয়ে যায় সর্বকনিষ্ঠ ভারতরত্ন প্রাপকের নাম। তথ্যের অধিকার আইনে সামনে এসেছে সেই তথ্য।

মুম্বইয়ে জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে উঠেই সচিন জানতে পারেন ভারতরত্ন সম্মান পাওয়ার কথা। যদিও,এই সম্মান প্রদানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল মাত্র দুদিন আগেই।

১৪ নভেম্বর ২০১৩: দুপুর একটা ৩৫ প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে বার্তা গেল ক্রীড়া মন্ত্রকে। সচিনের বায়োডেটা চেয়ে পাঠালেন ডিরেক্টর রাজীব টোপনো।

১৪ নভেম্বর ২০১৩: বিকেল ৫টা ২২: ক্রীড়া দফতর থেকে ফ্যাক্স মারফত প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হল সচিনের বায়োডেটা। ফ্যাক্সে স্বাক্ষর ক্রীড়ামন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি এস পি এস তোমরের।

১৫ নভেম্বর ২০১৩: বিদায়ী টেস্টের দ্বিতীয় দিন ওয়াংখেড়েতে বসে সচিনের ব্যাটিং দেখলেন রাহুল গান্ধী।

১৫ নভেম্বর ২০১৩: দিল্লিতে তখন অন্য তৎপরতা। ভারতরত্নের সুপারিশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে সচিনের বায়োডেটা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী।

১৬ নভেম্বর ২০১৩: ম্যাচ শেষ হতেই ঘোষণা হল সচিন তেণ্ডুলকরকে ভারতরত্ন সম্মান প্রদানের ঘোষণা। বিজ্ঞানী CNR রাওকেও ভারতরত্ন সম্মান দেওয়ার ঘোষণা।

১৭ নভেম্বর ২০১৩: ভারতরত্ন সম্মানের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে সচিনকে চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।

৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
রাষ্ট্রপতি ভবনে দরবার হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হল সচিন ও বিজ্ঞানী সি এন আর রাওকে।