ওদের ভাল হোক: শহিদ

Update: October 16, 2012 16:44 IST

সইফ-করিনার বিগ ফ্যাট ওয়েডিংয়ে পদে পদেই ছিল সারপ্রাইজ। বিয়ের তারিখ জল্পনা, ডিজাইনার পোষাকের বদলে খানদানি শরারায় করিনার বিয়ের পিঁড়িতে বসা, চল্লিস লাখি নবাবি হার...সবকিছুই যেন ছিল রহস্যে মোড়া। তবে বিগেস্ট সারপ্রাইজটা বোধহয় এল এবার। গোটা বলিউডের সঙ্গে সইফ-করিনাকে বিয়ের শুভেচ্ছা জানালেন শহিদও। সেই সঙ্গেই ছিল খোলা গলায় করিনার প্রশংসাও।

সইফিনার বিয়ের পরই মিডিয়ার মুখোমুখি হয়েছিলেন শহিদ। এড়িয়ে যাওয়ার বিন্দুমাত্র চেষ্টা না করেই ক্যামেরার সামনে বললেন, "আমি সইফ-করিনার সুখি বিবাহিত জীবন কামনা করি। রনধীর কপুরকেও আমি অভিনন্দন জানাই। মেয়ের বিয়ে যে কোনও বাবার কাছেই একটা বিশাল বড় ব্যাপার। আমি আশা করব করিনা বিয়ের পরও অভিনয় করবে। ও সত্যিই এই মুহূর্তে ইন্ডাস্ট্রির শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী"।

বিয়েতে কি নিমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি? এই প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য একটু হেঁয়ালি করলেন করিনার প্রাক্তন প্রেমিক। তাঁর জবাব, "ইনভিটেশন মিলা ইয়া নহি মিলা-অব ইসকে বারে মে হম ম্যায় ক্যায় কহু"! (নিমন্ত্রণ পেয়েছি কিনা সেই ব্যাপারে আর আমি কী বলব!) যাই হোক। এবারের মত অনুমানের উপরই ভরসা রাখতে হবে আমাদের।


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।