সাইবাবা মন্দিরই ছিল জঙ্গি টার্গেট

দিলসুখনগরের সাঁইবাবা মন্দিরই জঙ্গিদের প্রাথমিক নিশানা ছিল। পুলিস সূত্রে এমনই ইঙ্গিত মিলছে। বিস্ফোরণের ঠিক আগেই ওই মন্দিরে যান পুলিস কমিশনার। সে কারণেই সম্ভবত নিশানা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল জঙ্গিরা।

Updated: Feb 24, 2013, 12:58 PM IST

দিলসুখনগরের সাঁইবাবা মন্দিরই জঙ্গিদের প্রাথমিক নিশানা ছিল। পুলিস সূত্রে এমনই ইঙ্গিত মিলছে। বিস্ফোরণের ঠিক আগেই ওই মন্দিরে যান পুলিস কমিশনার। সে কারণেই সম্ভবত নিশানা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল জঙ্গিরা।
দিলসুখনগরের সাঁইবাবা মন্দির। হামলাস্থল থেকে বড়জোর তিনশো মিটার দূরে। রোজই অসংখ্য ভক্ত সমাগম হয় এই মন্দিরে। ভিড় বেশি হয় বৃহস্পতিবার। সে কারণেই কি বৃহস্পতিবারই হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা? ২০০২ সালের নভেম্বরেও এই মন্দিরেই হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। সে দিনটিও ছিল বৃহস্পতিবার।
পুলিস সূত্র বলছে ২১ তারিখও সাঁইবাবা মন্দিরকেই বেছে নিয়েছিল জঙ্গিরা। পুণেতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় হায়দরাবাদ থেকে গ্রেফতার মকবুলকে জেরা করে তেমনিই তথ্য পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। যেদিন সবথেকে বেশি জনসমাগম হয়, সে দিনই হামলার ছক কষা হচ্ছে, তেমন তথ্য উঠে এসেছিল। কিন্তু সন্ধেবেলা হঠাৎ হায়দরাবাদের পুলিস কমিশনার অনুরাগ শর্মা মন্দিরে আসেন। পুলিস কমিশনার আসছেন। স্বভাবতই মন্দিরে প্রচুর পুলিস মোতায়েন করা হয়েছিল। সে জন্যই শেষমুহূর্তে হামলার জায়গা বদল করতে হয় জঙ্গিদের। পুলিস কমিশনারের আগমনের কারণেই কি তবে এযাত্রায় রক্ষা পেল অসংখ্য প্রাণ? এমন একটি মন্দিরের নিরাপত্তা যথাযথ নয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রাও।
এ যাত্রায় হয়তো কপাল জোরে রেহাই মিলল? কিন্তু ভবিষ্যতে কি আর একটু সতর্ক হবে প্রশাসন?  তথ্য থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তায় কেন এই ফাঁক?  প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।