নবাবী সম্পত্তির মূল্য ৭৫০ কোটি?

Update: November 8, 2012 12:03 IST

বিয়ে করেছেন সদ্য। জীবনের মধুচন্দ্রিমার বছর সবে শুরু হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সইফ আলি খানের বাস এখন সপ্তম স্বর্গে। বেজায় খুশি করিনাও। তারমধ্যেই সম্প্রতি আবার জানতে পেরেছেন বিপুল সম্পত্তির মালিকানা পেতে চলেছেন সইফ!

জানা গেছে পতৌদির প্রাক্তন নবাব মনসুর আলি খানের একটি ম্যানসন ও বেশ কিছু অন্যান্য অ্যাসেটের মূল্য নাকি প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। যাঁর বেশির ভাগটাই তিনি পুত্র সইফের নামেই করে গেছেন। বাকিটা রয়েছে সইফের দুই বোন সোহা ও সাবার নামে। আর এই খবরে এতটাই খুশি হয়েছেন সইফ যে তিনি নিজেও বিশ্বাস করতে পারেননি। একটি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাত্কারে সইফ বলেন, "আমার মনে হয় না সত্যিই সম্পত্তির মূল্য এতো। প্রকৃত মূল্য যদিও আমি জানি না, তাও শুনে মনে হচ্ছে যেন অনেকটাই বেশি। কিন্তু সবথেকে বড় কথা এটা আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমারা কাছে এটা অমূল্য"।

বাবার মৃত্যুর পর আনুষ্ঠানিক ভাবে নবাব হয়েছেন এক বছর আগেই। তবে ঘাটতি ছিল কিছু। সেইসব এবার মিটেছে। বিপুল পৈতৃক সম্পত্তি, পতৌদি ম্যানসনের মালিকানা, নবাবী আচরণ, সর্বোপরি নতুন বেগম; সবমিলিয়ে বলাই যায় এতোদিনে যেন সত্যিকারের নবাব হলেন সইফ।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।