র‌্যাঙ্কিংয়ে রেকর্ডের দিনে শেষ আটে সাইনা

Update: January 17, 2013 20:36 IST

আজকের দিনটা দারুণ গেল সাইনা নেহওয়ালের। একই দিনে এল কেরিয়ারে সবচেয়ে উচুঁ র‌্যাঙ্কিংয়ে ওঠা, আবার মালয়েশিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা। আজ, বৃহস্পতিবার বিশ্ব ব্যাডমিন্টন র‌্যাঙ্কিংয়ে নিজের কেরিয়ারে সবচেয়ে উঁচুতে উঠলেন সাইনা। আজই আবার মালয়শিয়ান সুপার সিরিজের শেষ আটে উঠলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের রানী।

লন্ডন অলিম্পিকে পদক জয়ী সাইনা বিশ্ব ব্যাডমিন্টনের সিংহাসন থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে। বিশ্ব ব্যাডমিন্টন-এর নিয়ামক সংস্থা (বিডব্লুএফ)-এর বিচারে দু নম্বরে থাকা সাইনার অর্জিত পয়েন্ট ৮০,০৯১.৭৪। সাইনার সামনে একমাত্র অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ান চিনের লি জুরাই। আগামী কয়েক মাস ধারাবাহিকভাবে কিছু প্রতিযোগিতা জিততে পারলে প্রথম ভারতীয় হিসাবে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে উঠবেন সাইনা। র‌্যাঙ্কিংয়ে সাইনার এই কীর্তির দিনে আরও এক ভারতীয় প্রথম দশে ঢুকে পড়লেন। তিনি পারুপল্লি কাশ্যপ। লল্ডন অলিম্পিকে যে কাশ্যপ দুরন্ত লড়াই করে সকলের হৃদয় জিতেছিলেন, সেই কাশ্যপ এখন বিশ্ব ব্যাডন্টিনে পুরুষদের সিঙ্গলসে দশ নম্বরে আছেন। সাইনার মত কাশ্যপেরও এটাই কেরিয়ারের সেরা র‌্যাঙ্কিং।



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।