করিমকে ছাড়তে নারাজ সালগাঁওকর

Update: October 2, 2011 15:10 IST

শনিবার সকালে সালগাঁওকর কর্ণধারের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন ফেডারেশন সচিব কুশল দাস। দুর্দান্ত সফল করিমকে যে কোনমতেই ছাড়া সম্ভব নয়,তা স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দেন
শিবানন্দ সালগাঁওকর। সালগাঁওকর প্রধানের দেওয়া যুক্তি মেনে নিয়েছেন ফেডারশন সচিব। এর পর ফেডারেশন সভাপতিও আর কথা বলবেন না শিবানন্দ সালগাঁওকরের সঙ্গে। ডেরেক
পেরেরাকেও ছাড়তে রাজি নয় পুণে এফ সি। আর ডেভিড বুথের ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে ফেডারেশেন কর্তাদের একাংশের। অক্টোবর মাসে মালয়েশিয়া আর জাম্বিয়ার সঙ্গে আন্তর্জাতিক
প্রদর্শনী ম্যাচ খেলবে ভারত। সেক্ষেত্রে এই ম্যাচগুলিতে সুনীলদের কোচ হিসাবে দেখা যাতে পারে সুখবিন্দার সিংকে। কোচ নিয়ে অবশ্য খুব বেশি মাথা ঘামাতে নারাজ ফেডারেশন সচিব।
অক্টোবরেই রবার্ট বানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করতে নেদারল্যান্ডে যাচ্ছেন কুশল দাস। সেখানে ভারতের কোচ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করতে চান তিনি। সুনীল.সুব্রতদের পরবর্তী কোচ
নিয়োগে বানের মতামতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন এআইএফএফ কর্তারা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।