ইউএস ওপেন: শুরুতেই বিদায় ভূপতি-বোপান্নার

Update: August 30, 2012 12:31 IST

অলিম্পিকের পর ইউএস ওপেনেও ব্যর্থ মহেশ ভূপতি-রোহন বোপান্না জুটি। ইউএস ওপেনে পুরুষদের ডাবলসে প্রথম রাউন্ডেই ছিটকে গেলেন ভূপতি-বোপান্না। প্রতিযোগিতার অষ্টম বাছাই ভূপতিরা স্ট্রেট সেটে হারলেন অবাছাই ম্যাথউ এবডেন- বার্নাড টমিচ জুটির কাছে। খেলার ফল ৩-৬, ৬-৭ । তবে ভূপতিরা হারলেও সহজেই ডাবলসে প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকালেন লিয়েন্ডার পেজ। 

এদিকে, মহেশ ভূপতির সঙ্গে জুটি ভেঙে নতুন পার্টনার নিয়ে খেলতে নেমে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলেন সানিয়া মির্জা। মিক্সড ডাবলসের প্রথম রাউন্ডে সানিয়া আর তাঁর ব্রিটিশ পার্টনার কলিন ফ্লেমিং পেটকোভিচ-এরিক জুটিকে স্ট্রেটে সেটে হারিয়ে দেন। খেলার ফল ৬-২, ৭-৬ । প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই পুরুষদের সিঙ্গলসে সোমদেব দেববর্মন প্রথম রাউন্ডে হেরে গিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, প্রতিযোগিতার তৃতীয় দিনই মহিলারদের সিঙ্গলসে বড় অঘটন ঘটে। দ্বিতীয় রাউন্ডেই বিদায় নিলেন ৩ বারের ইউ এস এপেন চ্যাম্পিয়ন কিম ক্লিস্টার্স। ব্রিটেনের লরা রবসনের কাছে ৬-৭, ৬-৭ হারের পর টেনিস থেকে অবসর নিলেন চারবারের গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী বেলজিয়ামের ক্লিস্টার্স। এর আগে ২০০৭ অবসর নিয়ে দুবছর পর অবসর ভেঙে ফিরে এসেছিলেন ক্লিস্টার্স। অবসর ভেঙে ২০০৯, ২০১০ পরপর দুবার ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ক্লিস্টার্স।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।