কোর্টে নয় সানিয়া মাতালেন র‌্যাম্প

Update: November 5, 2012 16:12 IST

টেনিসের কোর্ট থেকেই তাঁর উত্থান। কিন্তু চোটের কারণে সিঙ্গলসে এখন তাঁর র‌্যাকেট সেভাবে চলে না। তাতে অবশ্য সাইনার জনপ্রিয়তা মোটেও কমেনি। এখন হায়দ্রাবাদের এই তারকা টেনিস খেলোয়াড় ভারতের মহিলা টেনিসের মুখ। কিন্তু সেই সাইনা এখন টেনিসে নয়, ফ্যাশন দুনিয়াতে ঝ়ড তুলছেন। মুম্বইয়ের ব্লেন্ডারস প্রাইড ফ্যাশন ট্যুর ২০১২-র প্রথম দিনে সানিয়া র‌্যাম্প মাতালেন। এই ফ্যাশন শোয়ের র‌্যাম্পে হাঁটলেন কঙ্গনা রানওয়াত, সেলিনা জেটিলদের মত বলিউডের নায়িকারাও। কিন্তু প্রচারের সব আলো কেড়ে নিলেন সাইনা মির্জা।

শান্তুনু-নিখিলের ডিজাইনে রয়াল ব্লু ব্রাইডাল ওয়্যারে সাইনার ক্যাট ওয়াক দেখতে রীতিমত হুড়োহুড়ি পড়ে গেল। সানিয়ার এই ক্যাট ওয়াককে যে তাঁকে আগামী দিনে বিজ্ঞাপনের দুনিয়ায় অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যাবে সেটা নিশ্চিত। র‌্যাম্প হাঁটার পর সানিয়া বললেন, "কাজটা আমার কাছে নতুন না হলেও ক্যাট ওয়াক করতে বারবারই খুব টেনসড থাকি। কাজটা টেনিস খেলার চেয়ে শক্ত।" এদিকে সাইনাকে শোয়েব মালিককে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বলেন, "মনেই হয় না যে আমার বিয়ে হয়ে গেছে। এখনও মনে হয় শোয়েবের সঙ্গে আমি এখনও ডেটিং করছি।"






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।