সঞ্জয়ের জন্য আমি রাজ্যপালের কাছে যাব, পাশে থাকার আশ্বাস জয়ার

১৯৯৩, ১২ মার্চ। মুম্বাই। ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ২০ বছর পর অস্ত্র আইনে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকে ফের জেলে পাঠানোর রায় দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সঞ্জু বাবার পাঁচ বছরের হাজত বাসের সাজা লাঘব করতে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে গোটা ইন্ডাস্ট্রি। এই তালিকায় নবতম সংযোজন দত্ত পরিবারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রবীণ আভিনেত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। গতকাল তিনি বলেন, "আমি নিজে রাজ্যপালের কাছে যাব।" সঞ্জয়ের মুক্তির জন্য তিনি নিজে রাজ্যপালকে দরবার করবেন বলে জানিয়েছেন জয়া।

Updated: Mar 22, 2013, 05:19 PM IST

১৯৯৩, ১২ মার্চ। মুম্বাই। ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ২০ বছর পর অস্ত্র আইনে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকে ফের জেলে পাঠানোর রায় দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সঞ্জু বাবার পাঁচ বছরের হাজত বাসের সাজা লাঘব করতে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে গোটা ইন্ডাস্ট্রি। এই তালিকায় নবতম সংযোজন দত্ত পরিবারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রবীণ আভিনেত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। গতকাল তিনি বলেন, "আমি নিজে রাজ্যপালের কাছে যাব।" সঞ্জয়ের মুক্তির জন্য তিনি নিজে রাজ্যপালকে দরবার করবেন বলে জানিয়েছেন জয়া।
এর আগে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান মার্কন্ডেও কাটজুও জানান, সঞ্জয়ের রেহাইয়ের জন্য তিনিও আবেদন করবেন। মানবিকতার খাতিরে সুপ্রিম কোর্টেরও বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন কাটজু। ১৬১ ধারা প্রয়োগ করে সঞ্জয়কে সাজা মুক্ত করার পক্ষপাতী প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান। কাটজুর দাবি, যেহেতু ৯৩ বিস্ফোরণে সঞ্জয়ের সরাসরি যুক্ত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি, তাই তাঁর সাজা মাফ করে দেওয়া হোক। ঘটনার পরিগ্রহে অনেক ভুগেছেন দত্ত। একথাও স্বীকার করে নিয়েছেন কাটজু।
কয়েক দশক ধরে বক্সঅফিস কাঁপানো এই অভিনেতা সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কার্যত মর্মাহত হয়েছেন। রায় বেরনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে চাননি মুন্না ভাই। সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৯৩ মুম্বাই বিস্ফোরণের পর জঙ্গি নাশকতায় ব্যবহৃত অস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন তিনি। ভুল হয়েছিল, সবটা জানাজানি হতেই অস্ত্রের প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা করেন তিনি। আজ সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করার কথা সঞ্জয়ের আইনজীবীদের।
সঞ্জুবাবার রেহাইয়ের জন্য এখন একটাই রাস্তা খোলা। যদি খোদ মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হস্তক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্টকে পূণর্বিবেচনার আবেদন জানান, সেক্ষেত্রে স্বস্তি পাবেন দত্ত পরিবাবের সদস্যরা। সেইসঙ্গে মুন্না ভাইয়ের অগণিত ভক্ত।