সময়কে পিছনে ফেলে গারদ বন্দি খলনায়ক

আর্থার রোড জেলে নিয়ে যাওয়া হল সঞ্জয় দত্তকে। আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ আত্মসমর্পণের জন্য মুম্বইয়ের বিশেষ টাডা আদালতে পৌঁছন সঞ্জয়। টান ৬ ঘণ্টা ধরে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া চলার পর তাঁকে পাঠানো হল আর্থার রোড জেলে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বোন প্রিয়া দত্ত। আদালত চত্বর ঘিরে রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। মুন্নাভাইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে গোটা বলিউড।

Updated: May 15, 2013, 10:44 PM IST

আর্থার রোড জেলে নিয়ে যাওয়া হল সঞ্জয় দত্তকে। আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ আত্মসমর্পণের জন্য মুম্বইয়ের বিশেষ টাডা আদালতে পৌঁছন সঞ্জয়। টান ৬ ঘণ্টা ধরে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া চলার পর তাঁকে পাঠানো হল আর্থার রোড জেলে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বোন প্রিয়া দত্ত। আদালত চত্বর ঘিরে রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। মুন্নাভাইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে গোটা বলিউড।
আগেই পুণের ইয়াড়ওয়ারা জেলে আত্মসমর্পণের আর্জি তুলে নিয়েছেন মুন্না ভাই।
গতকাল অভিনেতা আদালতকে জানান, তিনি মৌলবাদীদের হামলার আশঙ্কা করছেন। সেই কারণেই একেবারে পূণের জেলে যেতে চান তিনি। আর সময় দিতে রাজি ছিল না সুপ্রিম কোর্টও। শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশের পরই টাডা আদালতে আবেদন করেন সঞ্জয়। এবার ৪২ মাসের জন্য জেলে যেতে হবে সঞ্জয় দত্তকে।
মঙ্গলবার সঞ্জয়ের আত্মসমর্পণের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আবেদন জানান দুজন প্রযোজক। তাঁদের ছবির কাজ চলতে থাকায় আদালতের কাছে আরও কিছু সময় চান তাঁরা। কিন্তু এই আর্জি খারিজ করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, "আমরা আগেই জানিয়েছি, সময় বাড়ানোর কোনও আবেদনই আর শোনা হবে না।"
গত সপ্তাহেই সঞ্জু বাবার ক্ষমাপ্রার্থণা খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। চলতি বছরের মার্চ মাসে, মুম্বই বিস্ফোরণ কাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে পাঁচ বছরের সাজা ঘোষণা করে আদালত। ১৭ এপ্রিল ছ`মাস সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতের দারস্থ হন বলিউড অভিনেতা। পাশে পান অনেকেই। তাঁর সাজা মুকুব নিয়ে দর কষাকষিও চলে। কিন্তু সমস্ত ছবির কাজ শেষ করার জন্য চার সপ্তাহের সময় দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
প্রথম দফায় ১৮ মাস জেল খেটেছিলেন সঞ্জয় দত্ত। ফলে আরও সাড়ে তিন বছরের জন্য গরাদের পিছনে যেতে হবে সঞ্জয়কে।