বিনিয়োগের বার্তা নিয়ে মহাকরণে রতন টাটার সহযোগী

Update: August 1, 2012 13:01 IST

রাজ্যে বিনিয়োগের বার্তা নিয়ে বুধবার মহাকরণে মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে এলেন সাপুরজি-পালনজির কর্ণধার সাপুরজি মিস্ত্রি। দুপুর ২ টোয় মহাকরণে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন সাপুরজি। নিউটাউনে একটি তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক গড়ে তুলতে চায় ভারতের সবচেয়ে বড় পরিকাঠামো নির্মাতা সংস্থা সাপুরজি-পালনজি গ্রুপ।

বাম আমলে রাজ্যের আবাসন দফতরের সঙ্গে এশিয়ার সর্ববৃহত্‍ আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার কাজে হাত দেয় সাপুরজি-পালনজি গোষ্ঠী। সেই প্রকল্পে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের জন্য মোট ২০০০ ফ্ল্যাট তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে নিউটাউনে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক-সহ রাজ্যের বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাপুর মিস্ত্রি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে পারেন বলে খবর।


রতন টাটার প্রধান ব্যবসায়ী সহযোগী হল দেশের সবচেয়ে বড় পরিকাঠামো নির্মাতা সংস্থা সাপুরজি-পালনজি গ্রুপ। টাটা গোষ্ঠীর বেশিরভাগ শেয়ারই রয়েছে সাপুরজি-পালনজি গোষ্ঠীর হাতে। টাটা গোষ্ঠীর অন্যতম কর্ণধার হলেন সাপুরজী মিস্ত্রির ভাই সাইরাস মিস্ত্রি। ইতিমধ্যেই টাটা গোষ্ঠীর প্রধান রতন টাটা নিজের উত্তরসূরি হিসেবে সাইরাসকে নির্বাচিত করেছেন। সিঙ্গুর থেকে ন্যানো কারখানা সরিয়ে নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে টাটাদের সম্পর্ক খারাপ হয়। এই প্রেক্ষাপটে সাপুরজি মিস্ত্রির সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর এই বৈঠক অনেকটাই তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



Post Your Comment

Total Comments:2

ei alochona ta ratan tata r sathe kora dorkar ekhono somoy ache

Akhon r aager choutrish bachar r aamader ak bochorer galpo noi.O sab kochkochi r sunte bhalo lagche na.Aamader janaprio Mukkhomantri daya kore rajdharma palon korun.Sapurji ke sujog subidhe jatota para jai din. Akta kichu korun r sei sange daler cadre der ektu sanjato hote bolun. Aamra r ditio Singur chai na. Nomoskar.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।