জামিন পেলেন নূপুর তলোয়ার

Update: September 17, 2012 19:37 IST

আরুষি তলোয়ার-হেমরাজ খুনের মামলায় অবশেষে জামিন পেলেন আরুষির মা নূপুর তলোয়ার। সোমবার শীর্ষ আদালত নূপুরের জামিন মঞ্জুর করে। আগের শুনানিতেই আদালত সিবিআইকে সোমবারের মধ্যে প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই কাজ শেষ না হওয়ায় সেপ্টেম্বর ২৫ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। জামিন পেয়ে গেলেও নূপুর তলোয়ারকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে।

চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল গ্রেফতার হন নূপুর তলোয়ার। মে মাসের ৩১ তারিখ এলাহাবাদ হাই কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। গাজিয়াবাদের দাসনা জেলে ছিলেন তিনি। আরুষির বাবা রাজেশ তলোয়ার আপাতত জামিনে মুক্ত।

২০০৮-এর ১৬ মে তলোয়ার পরিবারের নয়ডার বাড়িতে আরুষির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঠিক তার পর দিনই সেই বাড়ির বারান্দা থেকে পরিচকারক হেমরাজের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়। পরপর এই দুই রহস্য মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে দেশ জুড়ে। গাজিয়াবাদে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তলোয়ার দম্পতির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ (যৌথ ভাবে খুন), ২০১ (তথ্য প্রমাণ লোপাট) এবং ২০৩ (ভুল তথ্য প্রদান) ধারায় মামলা রুজু করা হয়। তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার জন তলোয়ার দম্পতি।

Post Your Comment

Total Comments:1

Amader sarkar er dhilemi jonnoi etodin dhore proman korte parche na , khuni k ba kara amar mone hoi

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।