প্রণবকে সমর্থন সুপ্রিমকোর্টের, মামলা খারিজ সাংমার

Update: December 5, 2012 14:02 IST

রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বিরুদ্ধে জাতীয় কংগ্রেস দলের নেতা পি এ সাংমার আনা মামলা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে প্রণব বাবুর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়াকেও সমর্থন জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। এদিন পাঁচ বিচারপতির একটি বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। বিচারপতিদের মধ্যে তিন জন প্রণব মুখার্জির পক্ষেই সহমত পোষণ করেছেন। প্রধান বিচারপতি তাঁর রায়ে জানিয়েছেন, "এই মামলায় নিয়মিত শুনানির কোনও প্রয়োজন নেই। মামলাটি খারিজ করা হল।"

সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি আলতামাস কবীর, বিচারপতি পি সদাশিবম ও বিচারপতি এস এস নির্ঝর সাংমার করা মামলার নিয়মিত শুনানিকে অপ্রয়োজনীয় মনে করে মামলাটি খারিজ করে দেন। যদিও, অপর দুই বিচারপতি এই রায়ে সম্মতি জানিয়েছেন। বিচারপতি রঞ্জন গগৈ মনে করেন, প্রণব মুখার্জির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের মতো সংস্থার উচ্চপদ অধিকার করে থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই নিরিখে মামালাটি চলা উচিত ছিল।

প্রণব প্রতিদ্বন্দ্বী সাংমার আইনজীবী সত্যপাল জৈন বলেন, "মামলাটি নিয়মিত শুনানির জন্য যথেষ্ট ছিল এবং দু`জন বিচারপতিও মামলাটি চলার পক্ষেই রায় দিয়েছেন।" তাঁদের তরফে একটি রিভিউ পিটিশন পেশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন জৈন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।