জুভেনাইল আইনের পূনর্বিবেচনায় সায় শীর্ষ আদালতের

Update: February 4, 2013 16:09 IST

জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্টের পুণর্গঠনে ওঠা দেশজোড়া দাবিতে সায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। জুভেনাইল আইন পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে সোমবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ আদালত। জনস্বার্থে করা একটি মামলার নিরিখে সুপ্রিম কোর্ট আজ এই মন্তব্য করেছে।

ধর্ষণের ১৮ বছরের নিচের অপরাধীকে জুভেনাইল অর্থাত্ নাবালক ধরা হলে, অপরাধের গুরুত্ব কমে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের রায় জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত। আইনজীবী কমল কুমার পাণ্ডে এবং সুকুমারের করা জনস্বার্থ মামলায় বলা হয়, ১৮ বছরের নিচের অপরাধীদের জুভেনাইল হিসাবে বিচার করলে বিচার ব্যবস্থার বিচক্ষণতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। এ বিষয়ে মমলাকারীদের পক্ষেই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডে ৬ অভিযুক্তের মধ্যে একজন নাবালক হওয়ায় বিচারের ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নিতে বাধা থেকে যাচ্ছে। যার ফলে দেশ জুড়ে জুভেনাইল আইন পরিবর্তনের দাবি ওঠে। এ দিন বিচারপতি কেএস রাধাকৃষ্ণন ও দীপক মিশ্র আইনটির পুনর্বিবেচনা করার পক্ষে রায় দিয়েছেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।