দ্বিতীয় দফার এসএসসি পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই

Update: September 2, 2012 12:56 IST

নির্বিঘ্নেই শেষ হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা। এদিন ৪টি জেলার ৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসেন প্রায় ২ হাজার পরীক্ষার্থী। হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান ও মালদা--এই চার জেলায় পরীক্ষা নেওয়া হয়।

নজিরবিহীন ভাবে এবছরই স্কুল সার্ভিসে একই পদের জন্য দুবার পরীক্ষা নেওয়া হল। প্রত্যেকটি পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন বিভিন্ন রিজিয়নের চেয়ারম্যানরা। এবছর এসএসসি কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত গাফিলতির জেরে স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের এই পরীক্ষায় নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কোথাও পরীক্ষা শুরুর দীর্ঘক্ষণ পর, কোথাও পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্র পৌঁছয়। কোথাও আবার অ্যাডমিট কার্ডে উল্লেখ করা পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে ওই কেন্দ্রের হদিশই পাননি পরীক্ষার্থীরা। যার জেরেই এই দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা নিতে বাধ্য হল স্কুল সার্ভিস কমিশন।

প্রথম থেকেই ঘটনায় দায় এড়াতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত এসএসসির চেয়ারম্যানের রিপোর্টের ভিত্তিতে কমিশনের ৫ জন আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল শিক্ষা দফতর। ফলে দ্বিতীয় দফা নির্বিঘ্নে মিটলেও একই পদের জন্য নজিরবিহীনভাবে দুবার পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা কমিশনের অস্বস্তিকে আরও বাড়িয়ে দিল।
 







Post Your Comment

Total Comments:1

স্কুল সার্ভিস পরীক্ষার টেট এবং ফাইনাল রেজাল্ট কবে প্রকাশ হবে?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।