শাহরুখের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বহাল

Update: January 29, 2013 17:56 IST

`খান` বিতর্কে জেরবার শাহরুখ খানের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা আরও আঁটোসাটো করার সিদ্ধান্ত নিল মুম্বই পুলিস। কিং খানের সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে ওয়াঘা সীমান্তের দুপারের দেশের বাক্যবাণ যেভাবে বাড়ছে তাতে কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না কেন্দ্রীয় সরকার। মুম্বই পুলিসও ইতিমধ্যেই শাহরুখের জন্য ফের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত দু`সপ্তাহ আগে শাহরুখের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। মুম্বই পুলিসের বক্তব্য ছিল, আপাতত শাহরুখের কোনও জীবন সঙ্কট নেই। তবে সাম্প্রতিক বিতর্কের জেরে ফের বিশেষ নিরাপত্তা চালু করার সিদ্ধান্ত নিল পুলিস।

ভারতে `একজন খান` হিসেবে বাস করা প্রসঙ্গে শাহরুখ খানের মন্তব্যের জেরে বিতর্কের ঝড় ওঠে। মঙ্গলবার সকালেই পাকিস্তানের গৃহমন্ত্রী রেহমান মালিক ভারতে শাহরুখ খানের নিরাপত্তা নিয়ে অপ্রীতিকর মন্তব্য করেন। প্রত্যুত্তরে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আর কে সিং এদিন বলেন, "আমরা আমাদের নাগরিকদের দেখাশোনা করতে সক্ষম। উনি(রেহমান মালিক) নিজের দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা ভাবুন"। এর আগে জামাত-উদ-দাওয়া প্রধান হাফিজ সইদ বলেছিলেন, ভারতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করলে শাহরুখ পাকিস্তানে এসে থাকতে পারেন।

আউটলুক টার্নিং পয়েন্ট ম্যাগাজিনকে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাতকারে শাহরুখ বলেছিলেন, "ভারতীয় রাজনীতিকরা মাঝে মাঝে অসতর্ক ভাবেই আমাকে তাঁদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করেন। যাঁরা মনে করেন ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যা হচ্ছে তা দেশদ্রোহিতা, তাঁরা আমাকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেন। এমনও সময় গেছে যখন আমার বিরুদ্ধে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে আঁতাঁত রাখার অভিযোগ আনা হয়েছিল। আমি ভারতীয়, আমার বাবা একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী হওয়া সত্ত্বেও। আমার দেশ ছেড়ে যাওয়ার জন্য মিছিলেও হেঁটেছেন নেতারা"। শাহরুখের এই বক্তব্যের পরই বিতর্ক শুরু হয়।




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।