শাহরুখ, সানি, অক্ষয় ত্রিমুখী ইদ

Update: March 1, 2013 16:03 IST

দিওয়ালি যদি শাহরুখের হয়, ইদ তাহলে সলমনের। দু`দশক ধরে বলিউডে চলে আসছে এই ইতিহাস। তবে এবার বোধহয় একটু অন্যরকম ইদ দেখবে বলিউড। দৌড়ে নেই সলমন। শাহরুখ, অক্ষয় আর সানি। একশো কোটির ইঁদুর দৌড়ে একে অপরের ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলছেন।

শাহরুখের `চেন্নাই এক্সপ্রেস`, অক্ষয়ের `ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বই টু` ও সানি দেওলের `সিং সাহেব দ্য গ্রেট উইল` মুক্তি পাচ্ছে ইদে। অন্যদিকে হৃতিকের `কৃশ থ্রি` মুক্তি পাচ্ছে দিওয়ালিতে। ইদে শাহরুখের ছবি মুক্তি পেলেও `ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বই টু` নিয়ে চিন্তিত নন পরিচালক মিলন লুথারিয়া। তবে কপালে ভাঁজ পড়েছে বর্ষীয়ান অমোদ মেহরার। তাঁর বক্তব্য, "এক দিনে অনেক বড় বাজেটের ছবির মুক্তি ব্যবসায়ে বড় রকমের প্রভাব ফেলে। সেইসব দিন চলে গেছে যখন একসঙ্গে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা চলত। এখন মাল্টিপ্লেক্স পুরো ব্যবসার নিয়ম বদলে দিয়েছে। একসঙ্গে মুক্তি পাওয়া প্রতিটা ছবির অন্তত ২৫ শতাংশ ক্ষতি হবে।"


Post Your Comment

Total Comments:1

``Trimukhi Eid``, what a disgusting and disgraceful headline indeed! Who really cares for that evil festival called Eid? Only the savages and the Bedouin beasts celebrate that in the deserts ( an the converts devil monsters are doing in India and SE Asia). Eid has no meaning to millions of us in India and we simply don`t care about that fake, phony & evil festival at all. Next time try to find a better headline. Shame on you!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।