গড়করি-হটাও-দলে এবার শত্রুঘ্ন সিনহাও

Update: November 24, 2012 21:20 IST

বিজেপি সভাপতি পদ থেকে নিতিন গড়করির অপসারণে আদর্শগতভাবে তিনি যে রাম জেঠমালানি, যশবন্ত সিনহার পক্ষে তা স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সুনহা। পাটনা সাহিবের বিজেপি সাংসদ আজ সাংবাদিকদের বলেন, জেঠমালানি এবং যশবন্ত সিনহার উত্থাপিত প্রশ্নগুলি গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, "দলের শীর্ষ পদে থাকা কোনও নেতাকে শুধু সৎ নয়, দৃশ্যত সৎ থাকতে হবে।" যশবন্ত সিনহা এবং রামজেঠমালানি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, "এঁরা দুজনেই প্রধানমন্ত্রী পদে যোগ্য প্রার্থী। তবে এই মুহূর্তে লালকৃষ্ণ আডবাণীই যোগ্যতম প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার।"

সভাপতির পদ থেকে গড়করির ইস্তফা দাবি করে জেঠমালানি এর আগেই বলেছিলেন অনেক বিজেপি নেতাই তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে একমত। যশবন্ত সিনহা গড়করির অপসারণের প্রশ্নে সিনিয়র জেঠমালানির পাশে দাঁড়ানোর আগে অবশ্য তাঁর পুত্র মহেশ জেঠমালানিও একই দাবি তোলেন।

অন্যদিকে, শুধু গড়করি প্রশ্নে নয়, সিবিআই শীর্ষপদে রঞ্জিত সিনহাকে বসানোর ক্ষেত্রেও জেঠমালানিকে সমর্থণ করেন শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁর বক্তব্য, "সিবিআই-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থার শীর্ষপদ কখনওই ফাঁকা রাখা যায় না... নবনিযুক্ত ডিরেক্টরকে নিয়ম মেনেই স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।" রঞ্জিত সিনহা অভিজ্ঞ এবং যোগ্য আইপিএস অফিসর বলেও দাবি তাঁর।

এর আগে, সিবিআই-এর ডিরেক্টর পদে রঞ্জিত সিনহাকে বসানোর বিরোধিতায় সংসদে বিজেপি নেতৃত্ব সুষমা স্বরাজ এবং অরুণ জেঠলি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠান।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।