প্লেবয়-এর পর এবার `কামসূত্র থ্রি ডি`তে শারলিন

Update: October 30, 2012 16:38 IST

প্রথমে জন্মদিনে টুইটারে নিজের নগ্ন ছবি পোস্ট করে দাওয়াত দিলেন। তারপর প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের সেই বিখ্যাত ফটোশুট করে পুনম পাণ্ডেকে টেক্কা দিয়েছিলেন। তবে এখানেই থেমে যায়নি তাঁর দৌড়। এবারে `কামসূত্র থ্রি ডি` ভার্সনেও সম্পূর্ণ নগ্ন রূপে আসতে চলেছেন শারলিন চোপড়া!

এই বছরের কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নিজের ছবি `সেন্ট ড্রাকুলা থ্রি ডি`-র প্রিমিয়ারের জন্য গিয়েছিলেন পরিচালক রূপেশ পাল। সেখানেই আগামী ছবি `কামসূত্র থ্রি ডি` অ্যানাউন্স করেন তিনি। তবে শারলিনের ভাগ্যেই যে অভিনয়ের শিকেটা ছিঁড়বে তা কল্পনাতেও আনতে পারেননি এই ভারতীয় লেজেন্ড (প্লেবয় ম্যাগাজিন এই আখ্যাই দিয়েছিল শারলিনকে) নিজেও।

শারলিন রাজি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বসিত রূপেশ। তাঁর মতে, "শারলিনের অদ্ভুত ভারতীয় সৌন্দর্য আর বোল্ড অ্যাটিটিউড কামসূত্রে অভিনয়ের জন্য একদম পারফেক্ট। ছবিতে ওর সৌন্দর্য আর প্রতিভাকে আমি পুরোপুরি ব্যবহার করতে চাই। পাশাপাশি, শারলিনের মত একজনকে একটা নতুন সাহসী `অবতার`-এ দেখাতে পারাটাও আমার কাছে খুব চ্যালেঞ্জিং। `কামসূত্র`য় বর্ণিত বিভিন্ন সেক্সুয়াল পজিশন থ্রি ডিতে একটা অন্য মাত্রা পাবে"।

আগামী বছর কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেই `কামসূত্র থ্রি ডি`-র প্রিমিয়ার চান রূপেশ। মূখ্য চরিত্রে শারলিন থাকলেও ছবির পুরো কাস্টিং এখনও বাকি। রূপেশের মতই ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত শারলিনও। বহুদিন ধরেই ছবিতে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করার জন্য মুখিয়ে ছিলেন তিনি। `কামসূত্র`-র প্রস্তাব পেয়েই লুফে নিয়েছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শারলিন বলেন, `কামসূত্র`র মধ্যে কোথাও অশ্লীলতা নেই। নগ্নতা কথনই অশ্লীল নয়। `কামসূত্র` সত্যিই নগ্নতা সম্পর্কে মানুষের ধারণা বদলে দেবে বলে আমি মনে করি। সামনের বছর গোড়ার দিকেই `কামসূত্র থ্রি ডি`-র শুটিং শুরু করবেন রূপেশ।

Post Your Comment

Total Comments:1

nare jater naame ey mokila ekti kolonko..Speacialy Shame for Indian Women

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।