সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হবে শেট্টার সরকারকে

Update: January 25, 2013 17:11 IST

গভীর রাজনৈতিক সঙ্কটে পড়ে গেল কর্ণাটক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার অনুগামী ১৩ জন বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ায় সংখ্যালঘু হয়ে পড়ল জগদীশ শেট্টার সরকার। রাজ্যপাল হংসরাজ ভরদ্বাজ মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টারকে চৌঠা ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে শমন দিলেন।

ভরদ্বাজ জানিয়েছেন ``আমি ইতিমধ্যেই এই সরকারকে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বাজেট ইস্যুতে শমন দিয়েছি। কিন্তু যদি ইতিমধ্যে আমি মনে করি এই সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে, সেক্ষেত্রে সরকারকে তার সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হবে।``

অন্যদিকে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে শেট্টার দাবি করেছেন তাঁর সঙ্গে প্রয়োজনীয় বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। বিধানসভায় তিনি গরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে পারবেন।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।