'বীরেন্দ্র' বিক্রমে সেওয়াগের শতরান

Update: November 15, 2012 12:30 IST

সমালোচনার জবাব বাইশ গজে দিলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ। ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর ১১৭ রানের ইনিংস ভারতকে শক্ত ভীতের উপর দাঁড় করিয়ে দেয়। গতবছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই সেওয়াগকে নিয়ে শুরু হয়েছিল বিতর্ক। তাঁর চোট সমস্যা যেমন ছিল তেমন দলের মধ্যে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে মতবিরোধেও জড়িয়ে পড়েন বীরু। ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখেও পড়েন তিনি। দলের মধ্যে যখন কোনঠাসা অবস্থায়, ঠিক সেইসময় মোতেরাতে শতরান করে যোগ্য জবাব দিলেন সেওয়াগ। ১১৭ বলে পনেরোটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ১১৭ রান করে সোয়ানের বোল্ড হন সেওয়াগ।   দীর্ঘ দুবছর পর আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে শতরান পেলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ। দুহাজার দশ সালে সেঞ্চুরিয়ানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষবার শতরান করেছিলেন বীরু। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ভারতের এই ওপেনার। মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির পর সেওয়াগ নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৩ তম শতরানটি পূর্ণ করেন।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।