সুসম্পর্ক গঠনের উদ্দেশ্যে চিন যাত্রা শিবশঙ্কর মেননের

Last Updated: Sunday, December 2, 2012 - 09:05

চিনের সঙ্গে  দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে উদ্যোগী হল নয়াদিল্লি। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেনন আজ থেকে ৩ দিনের চিন সফরে যাচ্ছেন। চিনের
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। অরুণাচলপ্রদেশ নিয়ে দুদেশের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, বৈঠকে সেই বিষয়টি
বাড়তি গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পঞ্চম প্রজন্মের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে চিন। নভেম্বরের গোড়ায় বেজিংয়ে কমিউনিস্ট পার্টির অষ্টাদশ জাতীয় কংগ্রেসে উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট হু
জিনতাওয়ের উত্তরসূরি জি জিনপিং। মার্চ মাস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার  নেবেন জিনপিং। ক্ষমতার পালাবদলের পরে প্রতিবেশী  রাষ্ট্রের সঙ্গে
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে মনমোহন সিং সরকার।  জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সফরের মধ্য দিয়েই শুরু হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া। 
৩ ও ৪ ডিসেম্বর চিনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বৈঠক করবেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেনন । সেখানে বাড়তি গুরুত্ব
পাবে অরুণাচল প্রসঙ্গ। সম্প্রতি চিনা নাগরকিদের ই-পাসপোর্টে সেদেশের মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চিনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তার তীব্র প্রতিবাদ
জানিয়েছিল নয়াদিল্লি। জবাবে বেজিংয়ের ভারতীয় দূতাবাস চিনা নাগরিকদের যেসব ভিসা দিয়েছে, তার মানচিত্রে অরুণাচল এবং আকসাই চিনকে ভারতীয় ভূখণ্ডেই দেখানো
হয়েছে। চিনের ই পাসপোর্টের মানচিত্রকে কখনই বৈধতা দেবে না ভারত, একথা জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ। এর আগে জম্মু-কাশ্মীরের নাগরিকদের
জন্যও আলাদা ভিসার ব্যবস্থা করে বিতর্কে জড়িয়েছিল চিন। তখনও প্রতিবাদবাদে সরব হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মসৃণ করতেই শিবশঙ্কর মেননের এই
সফর,তা স্পষ্ট বিদেশমন্ত্রীর কথায়।
 চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন লি কেকিয়াং। শিবশঙ্কর মেনন তাঁর সঙ্গেও দেখা করবেন। সীমান্তে চিন যেভাবে সেনা মোতায়েন
বাড়াচ্ছে, তাও উদ্বেগে রেখেছে ভারতকে। দুদেশের আলোচনায় এই বিষয়টিতেও বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 



First Published: Sunday, December 2, 2012 - 09:05


comments powered by Disqus