এখনই তৃণমূল ছাড়ছেন না শোভনদেব

Update: December 14, 2012 16:31 IST

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষপর্যন্ত দল ছাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে ইতি টানলেন দলের সঙ্গে বিরোধ প্রসঙ্গেও। আজ তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র একটি অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেতা বলেন, কারোর সঙ্গে ঝগড়া হলেই দল ছাড়ার প্রশ্ন ওঠে না। তৃণমূলের আদর্শকে ভালবেসে তিনি রাজনীতি করেন বলে মন্তব্য করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। যাবতীয় বিতর্ককে দূরে সরিয়ে তিনি যে ফের দলের কাজে মন দিতে চান, সেকথাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

কিছুদিন আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেরই দলের কর্মীদের একাংশের হাতে নিগৃহীত হতে হয় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। দলের শীর্ষনেতৃত্ব প্রকাশ্যে এর সমালোচনা না করায় ক্ষোভের পারদ চড়ছিল তৃণমূল নেতার অনুগানীদের মধ্যে। এরই মধ্যে ক্ষুব্ধ শোভনদেববাবুর বেশকিছু মন্তব্যও অস্বস্তিতে ফেলে দলকে। অবশেষে কাল বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় তাঁর। এরপরই দুতরফের বরফ গলল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।  





Post Your Comment

Total Comments:4

বাংলার জনগনের একটা ধারনা বিশ্যাস ছিল আপনি ব্যক্তিত সম্পন্ন লক ,কিন্তু তা আপনি উলটো প্রমান করলেন।কি অপমানটায় আপনাকে হতে হয়েছে ।কিন্তু আপনি ও অন্যান্য মন্ত্রিদের মত দু কান কাটা ।সামান্য এক্তু খমতা দখলের জন্য আপনি একজন আপনার মেয়ের বয়েসি নেতার কাছে লাথ জুত খেলেন? এতে যদি আপনার সন্মানের কন ক্ষতি না হয় তাহলে আপনাকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটালে ও আপনার সন্মান যাবে না।কেন আপনি এতদিন নাটক করলেন ।সঙ্গে সঙ্গে কিছু সমর্থকে নিয়ে ছিনি মিনি খেল্লেন ।আজ তারা কথায় যাবে বা তাদের কি হবে বা তাদের উপর আপনার দলের লোকদের লাঞ্ছনা সজ্য করতে হবে

APNER PROYOJON MAMATADEBIR KACHE ONEKDIN AGAI FURIA GECHE ETA BOJHA ONEK AGAI UTCHIT CHILO,AKHUN EKTU PACHE POROCHE BOLE SAMJOTA KORLO,AMER DHARONA APNAKE ABAR ARUP ABOSTAI PORTE HOBE.

Shovon babu apnar er kichu pabar ba debar nei ter upor apni to je dole achen.sekhane jini achen tini holen nari NAYAK.seta holo holo sab theke marakttak .

Bodh hoi Mantri hoyar ashwas peyechen.kom pokse Pariamentary Secy.bhalo khelechen ei ko din.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।