সুপ্রিম কোর্টে সিঙ্গুর মামলার শুনানি পিছোল জুলাই পর্যন্ত

Update: January 4, 2013 09:26 IST

সুপ্রিম কোর্টে আবার পিছোল সিঙ্গুর মামলার শুনানি। আজ দেশের শীর্ষ আদালতে সিঙ্গুর আইন মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। আজ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় জুলাই মাসেই রাজ্য সরকার এবং টাটা মোটর্সের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনবে আদালত। এরপর তখনই হয়তো এ নিয়ে রায় ঘোষণা করতে পারে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

ক্ষমতায় আসার পরেই সিঙ্গুরে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফেরতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৃণমূল সরকার। সেইমতো বিশেষ আইনও বিধানসভায় পাস করানো হয়। আইন কার্যকর করে জমি ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হতেই, হাইকোর্টে সেই আইনে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করে টাটা মোটরস। হাইকোর্টের লোয়ার বেঞ্চের রায় টাটা মোটরসের বিরুদ্ধে যায়। ফলে টাটা মোটরসের পক্ষ থেকে হাইকোর্টের ডিভিশন  বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নিজের রায় জানায়, সিঙ্গুর আইন অবৈধ, আসাংবিধানিক। কারণ তাতে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর নেই।

এরপর সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানায় রাজ্য সরকার। শুরু হয় শুনানি। তবে দু'পক্ষের আইনজীবীই শুনানি চলাকালীন বারবার সময় চাইতে থাকায় মামলা ক্রমশ পিছতে থাকে। আজ আবার সেই শুনানির তারিখ পিছোল। জুলাই মাসেই এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণাও হতে পারে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।