সুপ্রিম কোর্টে সিঙ্গুর-শুনানি শুক্রবার

আগামী ২৪ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টে সিঙ্গুর মামলার শুনানি হবে। অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফেরত দিতে ক্ষমতায় এসেই সিঙ্গুর আইন তৈরি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে টাটা মোটরস।

Updated: Aug 17, 2012, 04:38 PM IST

আগামী ২৪ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টে সিঙ্গুর মামলার শুনানি হবে। অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফেরত দিতে ক্ষমতায় এসেই সিঙ্গুর আইন তৈরি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে টাটা মোটরস। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় সরকারের পক্ষে যায়। এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করে টাটারা। সেই আবেদনের রায় যায় টাটাদের পক্ষে।
চলতি বছরের ২২ জুন বিচারপতি পিনাকি চন্দ্র ঘোষ ও বিচারপতি মৃণালকান্তি চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাশ হওয়া `সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন এবং উন্নয়ন আইন অবৈধ ও অসাংবিধানিক`! সেই সঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের ২ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এই রায় নিয়ে আপত্তি থাকলে আগামী ২ মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাতে পারবে রাজ্য সরকার। এরপরই, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। শীর্ষ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করে টাটারাও। আগামী শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হবে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৪ জুন- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় `সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন এবং উন্নয়ন আইন` পাশ হওয়ার আগে বামপন্থী বিধায়করা এই আইনকে `অবৈধ ও অসাংবিধানিক` বলে সভা থেকে ওয়াকআউট করেছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও একই কথা বলেছে। টাটা মোটরস-এর দায়ের করা মামলার রায় দিতে গিয়ে সিঙ্গুর আইনের ৩, ৪ এবং ৫ নম্বর (জমি অধিগ্রহণ, অধিগৃহীত জমি খাস করা এবং টাটাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সংক্রান্ত) ধারাকে সুস্পষ্টভাবে `অসাংবিধানিক` বলে চিহ্নিত করে ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে জানিয়ে দেয়, উচ্চতর আদালতে মামলার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি বিলি স্থগিত রাখতে হবে।