সোমবার সুপ্রিম কোর্টে সিঙ্গুর শুনানি

Update: November 30, 2012 13:57 IST

সুপ্রিম কোর্টে বহু বিতর্কিত সিঙ্গুর মামলার শুনানি হবে আগামী সোমবার। কলকাতা হাইকোর্ট সিঙ্গুর আইনকে অসাংবিধানিক আখ্যা দেওয়ার পর, সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিল রাজ্য সরকার। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই সিঙ্গুর নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করবে টাটারা। এর পাশাপাশি, কোন পরিস্থিতিতে টাটারা রাজ্য ছেড়েছিল, সুপ্রিম কোর্টে সেই যুক্তিও পেশ করতে পারেন টাটাগোষ্ঠীর আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম ইস্যুকে কেন্দ্র করেই এ রাজ্যে রাজনৈতিক পটভূমির পরিবর্তন হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল সরকারের যে সিঙ্গুর আইন প্রণয়ন করে হাইকোর্ট তাকে অসাংবিধানিক আখ্যা দেওয়ায় ব্যাকফুটে চলে যায় রাজ্য সরকার।

এদিকে সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষীরাও বহু দিন পর সরকারের বিরুদ্ধে এখন ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। যে সিঙ্গুরের জমি আন্দোলন কে কেন্দ্র করে মমতা সরকারের জন সমর্থনের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, জমি ফেরত দিতে না পারায় তাও এখন প্রশ্নের মুখে। এ রকম পরিস্থিতিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে থাকবে সিঙ্গুর সহ গোটা দেশ।

Post Your Comment

Total Comments:2

RAJYA SARKAR (TMC) TORIGHORI MANUSH K MITHA ASSAS D A POSCHIM BANGA OR BEKAR CHELEDER BEPOK KHOTI KOR A CHAY...A RA SUPREME COURT A HARAY GALAY RAJYER BEKAR CHELEDER KI HOBAY?MAMATA AKTA MITHA R RAJNITI KORLO BANGLAR MANUSH ER SATHE... OK VOTE D A AKHON BOOJ TAY PARCHAY BANGLAR MANUSH KI KHOTI KOR A HOACHAY.

RAI JAI HOK BANGALR ANDHOKAR KATAR KONO SOMBHABONA NAI. SARKARER POKHYA RAI GELE SABUJ ABIR BIKRI HOBE, OJOMITE CHASO HOBENA KARKHANATO DUR ASTO.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।