শহরে ফের ছিনতাই, এবার গড়িয়াহাটেও

Update: November 2, 2012 22:38 IST

শহরের বুকে ফের ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল। চল্লিশ মিনিটের ব্যবধানে একই কায়দায় জোড়া ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল কসবা এবং গড়িয়াহাট এলাকায়। সকাল নটা নাগাদ রুবি পার্ক এলাকায় প্রথম ঘটনাটি ঘটে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য বাস ধরতে যাচ্ছিলেন শিক্ষিকা সোমালী মজুমদার। বেলুড়ের একটি স্কুলে ভূগোলের শিক্ষিকা তিনি। হঠাত্‍ তাঁর পথ আটকে দাঁড়ায় বাইকে করে আসা দুই যুবক। গলার সোনার হার ছিনিয়ে নেয়। মহিলা চিত্‍কার করলে দুজন দুটি পিস্তল বের করে ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বলে পালিয়ে যায়।  
মহিলা কসবা থানায় অভিযোগ করেছেন। দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে সকাল নটা চল্লিশ নাগাদ। গড়িয়াহাটের ফার্ণ রোডে। একই কায়দায় আরেক জন মহিলার হার ছিনতাই করে বাইকে করে আসা দুই যুবক। গড়িয়াহাট থানায় এই ছিনতাইয়ের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কলকাতা পুলিসের অ্যান্টি স্ন্যাচিং বিভাগ তদন্তে নেমেছে। ধরন দেখে এই দুটি ঘটনা একই দলের বলে মনে করছে পুলিস।  

Post Your Comment

Total Comments:1

agulo sab upnader sajano ghatana sarkarer badnam karer janno. ektu sabdhane thakbel karan tini hayto upnader dekhe nite paren.sarkar chalchhe. chup kare thakun.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।