রিয়েল থেকে রিল লাইফের তরজায় সোনাক্ষি-অনুষ্কা

Update: November 4, 2012 21:12 IST

বহুদিন ধরেই মুখ দেখাদেখি বন্ধ দুই কন্যের। ইন্ডাস্ট্রিতে এখনও পাঁচ বছরও না কাটলেও ইতিমধ্যেই নিজেদের জোরালো ফ্যান ক্লাবও তৈরি করে ফেলেছেন দুজনেই। তবে এবার বোধহয় সত্যিই পর্দায় এসপার-ওসপার করে নেওয়ার পালা দুজনের।

সোনাক্ষি সিন্হা আর অনুষ্কা শর্মা। রণবীর সিংয়ের বাহুলগ্না হওয়ার কারণে পূর্বে শিরোনামে এসেছেন দুজনেই। সেই কারণেই দুজনের বাক্যালাপ বন্ধ দীর্ঘদিন। তবে এই দীপাবলিতে একেবারে সমুখ সমরে নামতে চলেছেন তাঁরা। ওইদিনই একসঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে সোনাক্ষির জব তক হ্যায় জান আর অনুষ্কার সন অফ সর্দার। জব তক জান-এ শাহরুখের বিপরীতে রয়েছেন অনুষ্কা। আর সোনাক্ষির হিরো হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে অজয় দেবগনের।

ব্যক্তিগত জীবনের তরজায় সুবিধা করতে পারেননি দুজনের কেউই। তবে বক্স অফিসে কার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে সেটা জানতে গেলে এখনও অপেক্ষা করতে হবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। দুজনের জন্যই শুভেচ্ছা রইল আমাদের তরফে।







Post Your Comment

Total Comments:3

lekha tay vul ache sudhre neben. sonakkhi jab tak hain jan a nei Anushka ache.

``সোনাক্ষির জব তক হ্যায় জান আর অনুষ্কার সন অফ সর্দার``- The originality is ``সোনাক্ষির সন অফ সর্দার আর অনুষ্কার জব তক হ্যায় জান`` Please correct it.

bokchod choke bara dukeo lekho naki anusakar jab tak hey jan r sonakhir son of sardar

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।