পাক প্রসঙ্গে সুর চড়ালেন সোনিয়াও

Update: January 18, 2013 19:58 IST

ভদ্র আচরণের নীতি নিলে তবেই পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা সম্ভব। আজ কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরে পাকিস্তান প্রসঙ্গে এই বার্তাই দিলেন ইউপিএ সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এ বিষয়ে গত মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়।

পাক বিদেশমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খারের বিদেশমন্ত্রক পর্যায়ের আলোচনার প্রস্তাবকে খারিজ করে দিয়ে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী মণীশ তিওয়ারি বৃহস্পতিবার বলেন, "পাক সেনার বর্বরোচিত আচরণের বিষয়টিই মুখ্য। যাঁরা এই নৃশংস ঘটনায় জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই আলোচনা সম্ভব।" ভারতের আবেগের কারণটিও পাকিস্তানের বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

গত ৮ জানুয়ারি জম্মু কাশ্মীরের সীমান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করে ভারতে ঢুকে পড়ে পাক সৈন্য। শুধু তাই নয়, দুই ভারতীয় জওয়ানকে বর্বরোচিত ভাবে হত্যা করে তারা। ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ফলে ভারত সরকারের ওপরও চাপ বাড়ে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার। মৃত ল্যান্স নায়ক হেমরাজ সিংয়ের শিরোচ্ছেদ করে নিয়ে যায় পাকিস্তানি সেনা। হেমরাজের শরীরের বাকি অংশ ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রের কাছে দফায় দফায় দরবার করে তাঁর পরিবার।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি তোলে বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি। পাকিস্তান সম্পর্কিত সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে সুষমা স্বরাজ ও অরুণ জেটলিকে গতকাল জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

গতকালই সীমান্ত বৈঠকের আগে সেনাপ্রধান বিক্রম সিং কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, প্রয়োজন পড়লে ভারত প্রত্যুত্তর দিতেও পিছপা হবে না।

Post Your Comment

Total Comments:2

Sonia Madam & Rahul Sir Hindustan ko bech na he pura bech do Congress Member lok apko help kare ga thora htora kiu ? Chand Rupees ke liye India ko bech raha ho Aap Congress member Indian Company & Former country se darte ho! O sab jo chate hei Aap ohi kar rahe. Aap toh jante nehi Free Dom India karne ke liye Netajee Subhas Chandra Bosh & Mohon Das Karam Chand Gandhi Pura Life Bita diye the.

PAK-E-STAN pabitra place jar naam tar public er asha-nity-swapno ato apabitra keno? janina.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।