পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে জমি ছাড়তে নারাজ সোনিয়া

Update: March 16, 2013 17:29 IST

পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে বিনা যুদ্ধে জমি ছাড়বে না কংগ্রেস। মালদার সভায় সেকথাই স্পষ্ট করে দিলেন সোনিয়া গান্ধী। আজ নারায়ণপুরে বরকত গণি খান চৌধুরীর নামাঙ্কিত ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী এবং কংগ্রেস সভানেত্রী। আমন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও অনুষ্ঠান গরহাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

উপলক্ষ্য বরকত খনি চৌধুরী ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু আমন্ত্রণ পেয়েও আসেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাজিরা আর গরহাজিরার এই ছবিটাই যেন ছিল গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে। কংগ্রেস সভানেত্রী টার্গেট করলেন মুখ্যমন্ত্রীকেই। পঞ্চায়েতে মহিলাদের জন্য পঞ্চাশ শতাংশ সংরক্ষণ তাঁর সরকারের কৃতিত্ব বলে বিভিন্ন সভায় দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই দাবি উড়িয়ে দিলেন সোনিয়া গান্ধী।

গ্রামোন্নয়ন, নারী কল্যাণ, শিক্ষা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউপিএ সরকারের সাফল্যের নানা খুঁটিনাটি তথ্যও তুলে ধরেন সোনিয়া গান্ধী।   

প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরলেন রায়গঞ্জে এইমস, মুর্শিদাবাদে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা তৈরির কথা।

মালদার রাজনীতিতে শেষ কথা ছিলেন গনিখান চৌধুরী। তাঁর নামে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন অনুষ্ঠান বুঝিয়ে দিল, গনিখান ছাড়া মালদা আর রাজনীতি ছাড়া গনিখান এখনও অসম্ভব। তাঁর নামাঙ্কিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেই কার্যত পঞ্চায়েত ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়ে গেলেন সোনিয়া গান্ধী। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।