সুব্রতর উলটো সুর সৌগতর গলায়

Update: January 11, 2013 12:08 IST

রাজ্যপাল প্রসঙ্গে পঞ্চায়েতমন্ত্রীর মন্তব্যের উলটো সুর শোনা গেল তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়ের কন্ঠে। তিনি আজ পরিষ্কার জানিয়েছেন রাজ্যপাল এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়, দু`জনেরই বক্তব্য তাঁদের নিজস্ব। তবে এই প্রসঙ্গে সংবিধান বিশেষজ্ঞ সুভাষ কাশ্যপ জানিয়েছেন রাজ্যপাল কতখানি বা কী বলতে পারবেন সংবিধানে সে রকম কিছুই নির্দিষ্ট করে বলা নেই। সৌগত রায় জানিয়েছেন তিনি সুভাষ কাশ্যপের সঙ্গে এ বিষয়ে এক মত।

প্রসঙ্গত বুধবার রাজ্যপাল বুধবার বলেন রাজ্যে গুণ্ডারাজ চলছে। পুলিশ প্রশাসনের আচরণেও যে তিনি মোটেই সন্তুষ্ট নন, বুধবার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তা-ও বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল। তাঁর সাফ কথা, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিত ঠিক রাখতে প্রশাসনকেই দায়িত্ব নিতে হবে। পুলিশের নিরপেক্ষভাবে কাজ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাজ্যপালের এই মন্তব্যের পর বুধবার শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, এবং বৃহস্পতিবার সুব্রত মুখোপাধ্যায় এই মন্তব্যে রাজ্যপালের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করেন। কিন্তু নিজের বক্তব্যে অনড় রাজ্যপাল পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি রাজ্যপাল সুলভ মন্তব্যই করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সামনে রাজ্যপাল এমকে নারায়ণন বলেন, "আমি যা বলেছি রাজ্যপালের মতই বলেছি"।

রাজ্যপাল সুলভ মন্তব্য নয়, রাজ্যপালের মন্তব্য রাজনৈতিক। শুক্রবার মহাকরণে রাজ্যপাল এমকে নারায়াননকে ঠিক এই ভাষাতেই বিঁধলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রতর মুখোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন রাজ্যপালের বক্তব্য উসকানিমূলক। গতপরশু রাজ্যপালের বক্তব্য নিয়ে শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলার পর কাল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য নিয়ে সমালোচনায় রাজনৈতিক মহল।




Post Your Comment

Total Comments:11

সমালোচকদের সংযত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।কেননা আমাদের দিদি ১০বছর চুপ থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন সেকথা বোধহয় আপনারা ভুলে যাচ্চেন।যদি কোন সমালোচনার ফলে আমাদের ছোট্ট ছেলেদের মাথায় রক্ত উঠে কোন অঘটন ঘটিয়ে ফেললে আমাদের দিদির কোম্পানি দায়ী থাকবে না।

ERA NIJEDER DADA MONE KORECHE......ERA JANE NA AMRA JONOGN SOBAR DADA. AMRA JEDIN JHATKA DEBO SEDIN EKEBAR`E HOLUD NOY LAL CARD DEKHIYE DEBO...........ETA MONE RAKHA UCHIT SUBRATO, PARTHO DER

MR, Mukherjee is more than INDIAN law... so he said... manush onake 2016 te red card dkhabe

age nijeder thik korun tarpor match khelben....

rajjo tai to ucchonne geche....lal ba holud card dekhiye ar ki hobe?

Era ei bhul gulu korate amader CPIM er e subhide hocche.Next 3 bachor por amra abar khamotay chole ashbo ki bolo tomra sobai.

Sarkar Vs Rajjyopal er derby match ghire janoganer uttejana charom e,,,,sat banchate sarkar pakkher natun referee niyog - SUBRATA MUKHERJEE

একজন জন প্রতিনিধি হিসেবে সুব্রতবাবুর কথাগুলো কতটা রাজনৈতিক, তা কি তিনি ভেবে দেখেছেন??? অন্যের দিকে না তাকিয়ে আগে নিজের দিকে তাকাতে শিখুন। রাজ্যপাল কোন ভুল মন্তব্য করেননি। ভুল আপনি করেছেন।

manush rajyo sarkar ke laal card dekhabe..

ebar thekhe JONOGON apnader NOJOR e rakhbe

This guy Saugata, another political character is trying to salvage the position created by the baby Subrata Mukherjee. Its a time to condemn and distance from political class as a whole. We do not need them. We are giving the pass. Just get lost and do meditation in Himalayas as a ascetics in a rehab program. They need to upgrade their huge corrupt souls.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।