ফিরহাদের পাশেই দল, স্পষ্ট করলেন সৌগতও

Update: February 17, 2013 20:35 IST

গার্ডেনরিচকাণ্ডে দল যে ফিরহাদ হাকিমের পাশেই রয়েছে, আজ তা আরও একবার স্পষ্ট করলেন সাংসদ সৌগত রায়। তাঁর দাবি, গার্ডেনরিচের ঘটনায় কোনওভাবেই জড়িত নন পুরমন্ত্রী। একই সঙ্গে, তাঁর বক্তব্য গার্ডেনরিচের ঘটনায় পুরমন্ত্রীর ভূমিকার সমালোচনাই করেননি রাজ্যপাল।

গার্ডেনরিচে পুলিস খুনের ঘটনার দু`দিন পরেই নিহত এসআইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল এম কে নারায়ণন। সে দিন গোটা ঘটনায় ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকার সমালোচনা করেন তিনি। তৃণমূল সাংসদ সৌতগ রায় অবশ্য বলছেন এরকম কোনও কথাই বলেননি রাজ্যপাল।
 
সৌগত রায়কে প্রশ্ন: এসআইয়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল বলেছিলেন ফিরহাদ হাকিমের এটা করা উচিত হয়নি।
উত্তর: না উনি একথা বলেননি। এটা আপনারা ওর মুখে চাপাচ্ছেন।
 
এখানেই শেষ না। গার্ডেনরিচ কাণ্ড নিয়ে কার্যত ফিরহাদ হাকিমের পাশেই দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। চাপের মুখে গার্ডেনরিচ কাণ্ডের চারদিন পর কিছুটা হলেও ডানা ছাঁটা হয় ফিরহাদ হাকিমের। কিন্তু, মন্ত্রিত্ব থেকে না সরিয়ে কি পাশে থাকারই বার্তা দিল না সরকার? এমনটা এক কথায় স্বীকার করে নিয়েছেন রাজ্যের প্রমুখ বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা।

আর শনিবার মহারাষ্ট্র নিবাস হলের সামনের ছবিতেই কার্যত স্পষ্ট, মন্ত্রিত্বে ফিরহাদ ছিলেন, আছেন এবং থাকছেন। এবার সেই বার্তা সাংসদ সৌগত রায়ের গলাতেও।   

Post Your Comment

Total Comments:6

CHOBITE HAKIMKE SUIT PORA CHOBI, SUITTAKI BOBBYKE DIDI PUJOTE DIYECHILEN?

APNI PROFESSOR MANUS CHYATRODER SIKHYA DITEN, BOBBY HAKIMER JONYO ETOGULO MITHYA KATHA BOLTE GELEN KENO? DUKHYO HOCHHE.

Burning Ghate na gale Hakim babu aar Mitra babur gardan Jeto.

ARABUL KANDE BEFAS KATHA BOLE DIDIR ROSANOLE PORE CHILEN, EKHUN SAI DAMAGE CONTROL KORER JONYO ``UPO MUKHYOMONTRI BOBBY HAKIM``ke TAL DICHHIN JATE KORE DIDIR KACHAKACHI JETE PAREN.PROF.SOUGOTO ROY JINDABAD FOR OILING.

তবেই না ব্যাটা? এবার সামলাও ঠ্যালা!/রায়-হাকিমের খেলা/ব্যাপারটা নয়কো হেলা-ফেলা!/ হাকিম সাইবেরে অপমান করে কোন হালা?বিরোধীরা দ্যাশ ছাইড়া পালা/ অধ্যাপক আজ আর সইবেন না সত্যের জ্বালা/দ্যাশ জুইরা চলুক ``রায়-হাকিমের পালা``।

sedin er beshi deri ney,india k pakistan banabe indiar muslmanra,tha hindu pepole need wake up noow,,

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।