মমতার বাড়ি গিয়েও ফোনেই কথা বললেন শোভনদেব

Update: December 1, 2012 16:56 IST

তৃণমূলেই থাকছেন, নাকি দল ছাড়ছেন ক্ষুব্ধ-অপমানিত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়? শনিবারও স্পষ্ট হল না ছবিটা। এদিন দুপুরে বাড়িতে গেলেও শোভনদেবের সঙ্গে দেখা করেননি মুখ্যমন্ত্রী। তবে সামনাসামনি দেখা না হলেও টেলিফোনে কথা হয় দু'জনের। তার আগে বিধানসভায় সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একদফা আলোচনা সারেন শোভনদেব। তৃণমূল সূত্রে খবর, সেই আলোচনার ফল ইতিবাচক। 

দলীয় নেতৃত্বের অনুরোধের শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন শোভনদেব। ওইদিনই তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর আলোচনায় বসার কথা থাকলেও, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফোন পেয়ে মাঝপথ থেকেই ফিরে যান তিনি। শোভনদেবের সঙ্গে  আলোচনায় বসতে শনিবার ফের উদ্যোগী হয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। চলে মানভঞ্জনের চেষ্টা।

শনিবার বিধানসভায় শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই দুজনেই আইএনটিটিইউসির হাই পাওয়ার কমিটির সদস্য। বিধানসভায় বৈঠকের রিপোর্ট যায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাড়ি যান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। দেখা করার স্লিপ পাঠিয়ে প্রায় আধঘণ্টা অপেক্ষা করেন তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন তিনি ব্যস্ত রয়েছেন। তবে টেলিফোনে দু'জনের কথা হয়। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ফোনে কী কথা হয়েছে তা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি।তবে কি এখনও প্রশমিত হয়নি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষোভ? শনিবার দিনভরের ঘটনার পর এমনই জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।   







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।