পার্থর ফোনে মাঝপথ থেকেই ফিরে গেলেন শোভন

Update: November 30, 2012 19:13 IST

তৃণমূলের দলীয় বৈঠক ঘিরে জোর নাটক। বিক্ষুদ্ধ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বৈঠকে ডেকেও তাঁকে ফিরে যেতে বলা হল। তৃণমূল ভবনে বৈঠক চলাকালীন শোভনদেবকে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু তারপরই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফোন পেয়ে মাঝপথ থেকে ফিরে যান শভনদেব বাবু। দলীয় অস্বস্তি এড়াতেই কী তড়িঘড়ি এই পদক্ষেপ? উঠছে প্রশ্ন।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে হেনস্থার প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশ করছিলেন আইএনটিটিইউসি সমর্থকেরা। সমাবেশ হয় ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে। সমাবেশ থেকে আইএনটিটিইউসির অন্য গোষ্ঠীর নেতাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষোভ সমাবেশের পর মিছিলেরও কর্মসূচি ছিল। তবে সমাবেশ চলাকালীনই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ফোন করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এরপরই মিছিলের কর্মসূচি বাতিল করা হয়। নেত্রীকে সম্মান জানাতেই মিছিল বাতিলের সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে আইএনটিটিইউসির নেতরা।

শুক্রবারই দলে বিদ্রোহ ঠেকাতে বৈঠকে বসছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে ডাকা হয়  ক্ষুব্ধ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। আজ বিকেলে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে  তাঁর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা ছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মুকুল রায়ের। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএনটিটিইউসি-র একটি গোষ্ঠীর হাতে হেনস্থার শিকার হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এরপর দলের ভিতরে সম্মান-মর্যাদার প্রশ্নে সরব হন তিনি। প্রবীণ বিধায়ক তথা সরকারের মুখ্য সচেতকের এই ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসে পড়ায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অস্বস্তি ঢাকতে গতকাল শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিম।


Post Your Comment

Total Comments:2

SOVONBABU, JEHATU APNER HATE KICHU LOK ACHE (T.U) SEHATU APNER BAPYARTA SRIMOTI EKTU BHEBADEKHAN NAHOLE SINGURER MASTERMOSAIER MOTON ABOGYA KORTEN. ETAI SOTYO AAR SOB MITHYA.

APNER HATE KICHU LOKJON AACHE TAI TKTU BHABCHEN NA HOLE SINGURER ROBINBABUR MOTOI BABYOHAR PETEN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।