এবার দল ছাড়ার ইঙ্গিত শোভনদেবের

Update: November 29, 2012 09:45 IST

রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের পর এবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ একই। সিন্ডিকেট চক্রে যুক্ত দলেরই নেতাকর্মীদের একাংশ। এখানেই শেষ না। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে হেনস্থা হওয়ার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানিয়ে সুবিচার পাননি বলেও অভিযোগ করেছেন শোভনদেববাবু। সম্মান না পেলে আগামিদিনে দলে থাকবেন কিনা সেবিষয়েও ভেবে দেখার কথা বলেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে আজ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে মহাকরণে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তোলাবাজি নিয়ে দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন সিঙ্গুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। এবার সেই একই অভিযোগ বিধানসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের গলাতেও। এখানেই শেষ না। রবীন্দ্রনাথবাবুর মতো তাঁরও অভিযোগ, সবটাই জানেন মুখ্যমন্ত্রী।
 
রাজনৈতিক মহলের অনুমান, ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল অনেকদিন আগে থেকেই। আইএনটিটিইউসির পদ থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। আশা ছিল মন্ত্রিত্ব পাবেন। কিন্তু, সেটাও হয়নি। এরপর মঙ্গলবারের ঘটনা কার্যত ক্ষোভের বারুদে স্ফুলিঙ্গের কাজ করেছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তৃণমূলের ইউনিয়নেরই কর্মী সমর্থকদের একাংশের হাতে হেনস্থা হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ঘটনার পরই মুখ্যমন্ত্রীকে গোটা বিষয়টি জানান তিনি। কিন্তু, কতটা সুবিচার পেয়েছেন? 
 
এখান থেকেই দানা বাঁধতে শুরু করেছে জল্পনা। মহাকরণে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, বৃহস্পতিবারই চরম কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক। এদিকে, দলীয় কর্মীদের একাংশের হাতে হেনস্থার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কলকাতা পুরসভায় বিক্ষোভ মিছিল করছে আইএনটিটিইউসি সমর্থিত শোভনদেব অনুগামীরা। শুক্রবার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে একটি নাগরিক সভারও ডাক দেওয়া হয়েছে।  






Post Your Comment

Total Comments:4

samman thakte thaktei party ta chere din.

এবার সবাই বুঝতে পারবে

Dekha jak sesh porjonto ki hoi.

MOMBATIWALA SUSIL SAMAJ AAJ CHUP KENO? BIRUDDHE KICHU BOLLAI SOVONDEBBABUR MOTO ABOSTA HOBE. IHA EKNAYAKTONTRAER RUP.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।