বাজারে নেমেই লাভের মুখ দেখল স্পেশালিটি রেস্তোরাঁ

Update: May 31, 2012 12:24 IST

প্রথম সপ্তাহেই স্পেশালিটি রেস্তোরাঁর শেয়ার আশাতীত লাভ করল মুম্বই শেয়ার বাজারে। মেনল্যান্ড চায়নার কর্ণধার অঞ্জন চট্টোপাধ্যায় গত ১৬ মে প্রথমবার তাঁর সংস্থার তরফে প্রারম্ভিক শেয়ার মূল্য (আইপিও) বাজারে ছাড়েন। প্রাথমিক ভাবে ১৫০ টাকা প্রতি শেয়ারের দামে শেয়ার ছাড়া হয়। এরপর থেকে ক্রমশই উর্ধমুখী হয়েছে স্পেশ্যালিটি রেস্তোরাঁর শেয়ারের দাম। বুধবার বাজার বন্ধের সময় শেয়ারের দাম ৭.১০ শতাংশ বেড়ে পৌঁছে যায় ১৬০ টাকার কাছাকাছি। 

উল্লেখযোগ্য ভাবে, এই স্পেশালিটি রেস্তোরাঁর শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির সময় বাজার কিন্তু সামগ্রিকভাবে নিম্নমুখিই ছিল।

মেনল্যান্ড চায়না, ওহ্ ক্যালকাটা, সিগ্রি, মাচান সহ ১০টি ব্র্যান্ডের ৮০টির ওপর রেস্তোরাঁ আছে অঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের স্পেশ্যালিটি রেস্তোরাঁ প্রাইভেট লিমিটেডের। কলকাতা থেকে শুরু হওয়া ব্যবসাকে দেশের প্রথম সারির ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পেরে সংস্থার কর্ণধার অঞ্জন চট্টোপাধ্যায় এই সাফল্যে স্বভাবতই খুশি। সারা দেশে মোট ২২টি শহরে অপেরেট করে এই রেস্তোরাঁ চেন। রেস্তোরাঁর পাশাপাশি ও ১৩টি কনফেশনারিও চালায় এই সংস্থা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।