নিজের দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুক পাকিস্থান: স্বরাষ্ট্র সচিব

Update: January 30, 2013 10:01 IST

শাহরুখ খানের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতকে আগ বাড়িয়ে পরামর্শ দিয়ে নয়াদিল্লির সমালোচনার মুখে পড়তে হল পাকিস্তানকে। শাহরুখের নিরাপত্তা বাড়াতে সোমবারই ভারতকে পরামর্শ দিয়েছিলেন পাক অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী রেহমান মালিক। নিজের দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুক পাকিস্থান। রেহমান মালিককে পাল্টা পরামর্শ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব। আগ বাড়িয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য পাকিস্থানের সমালোচনা করেন শাহরুখ খানও।

শাহরুখের নিরাপত্তা বাড়াতে সোমবারই ভারতকে পরামর্শ দিয়েছিলেন পাক অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী রেহমান মালিক।

বিতর্ক শুরু একটি পত্রিকায় শাহরুখ খানের নিজের লেখা প্রবন্ধ নিয়ে। ওই প্রবন্ধে কিং খান লেখেন, নাইন ইলেভেনের পর মুসলিম হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। বহু রাজনীতিক তাঁকে দেশবিরোধীদের পর্যায়ে ফেলেছেন। অন্য দেশে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন। শাহরুখের এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর পরামর্শ দেন রেহমান মালিক। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কড়া বার্তা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব। তাঁর বক্তব্য, আগে নিজের দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুক পাকিস্তান। ভারত নিজেদের নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম। আগ বাড়িয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের সমালোচনা করেছেন শাহরুখ খানও।

ভারতে তিনি ও তাঁর পরিবার যথেষ্ঠ নিরাপদেই আছেন বলেও জানিয়েছেন কিং খান। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।