হরিদ্বারে পদপিষ্ট হয়ে মৃত ২২

Update: November 8, 2011 13:58 IST

হরিদ্বারে গায়ত্রী সংঘে অন্তত ২২ জন পদপিষ্ট হয়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকালের এই ঘটনায় গুরুতর জখম ৩০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিশ্ব গায়ত্রী পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা গুরু পণ্ডিত শ্রীরাম শর্মার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল শান্তিকুঞ্জ আশ্রমের বাইরে। যজ্ঞ শুরুর মুখে বহু মানুষ আশ্রমের ভিতরে ঢুকতে গেলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। হরিদ্বারের পুলিস অধিকর্তার দাবি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিকুঞ্জ যাওয়ার সরু গলির সঙ্কীর্ণ পরিসরে এক সঙ্গে অনেক মানুষ চলে আসার ফলে ভিড়ের চাপে এই ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার থেকে গুরু পণ্ডিত শ্রীরাম শর্মার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু হয়েছে। চলবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত। আগামী পাঁচদিনে সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হওয়ার কথা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিরাপত্তার গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।