দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে রাজ্যের শিল্পীরাও

Update: January 2, 2013 19:41 IST

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে একজোট গোটা দেশ। প্রতিবাদের ভাষা এক, দাবি এক। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে সমাজের সব মহল থেকে। দিল্লির ঘটনাকে ধিক্কার জানাতে আজ কলকাতায় পথে নেমেছিলেন সঙ্গীতশিল্পীদের একাংশ। অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।       

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে এবার পথে এরাজ্যের শিল্পীরাও। প্রতিবাদ নারী নির্যাতনের। দিল্লিকাণ্ডে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব বিক্ষোভকারীরা। উঠে আসে পার্কস্ট্রিট প্রসঙ্গও।  উঠে এসেছে একরাশ ক্ষোভ...। ক্ষোভ প্রশাসনের ভূমিকায়। নানা সময়ে শাসক দলের একাধিক নেতানেত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের বিরুদ্ধেও। শুধু পথে নেমে একদিনের প্রতিবাদ নয়, লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এদিন প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন কলকাতা সিনে মিউজিশিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরাও।

Post Your Comment

Total Comments:2

Fasi/fasi/fasi/chai,j bolcha amar 17 age take aage daowa uchit,amar to 19,17 bochorer aasami ta k jodi amaka dito to ok ami,or niger blood khowatam

dhorshon kander chele der fansi houa chai ta na hole ei sob kando bartei thakbe. eder kothor shasti dite hobe . jate eder k dheke r keou korte ei dosi dre kotha bhebe chomke ba kenpe uthe r ek bar noi dos bar bhab be. tar fole deser meye ra santi te thak te parbe r rasta ghate berote parbe.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।