কাকলির মন্তব্যে নজিরবিহীন মতামত মানবাধিকার কমিশনের

Update: January 2, 2013 21:08 IST

উপলক্ষ্য, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের মন্তব্য। কিন্তু তার জেরে পার্কস্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডে নজিরবিহীন মতামত জানাল রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। কলকাতা পুলিস কমিশনারকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাতে লেখা হয়েছে, দিল্লির ঘটনার তদন্তের কথা মাথায় রেখেই যেন রিপোর্ট দেওয়া হয়। দিল্লি এবং পার্ক স্ট্রিট। কখনও কেউ বলেছেন প্রেক্ষিত আলাদা। কেউ ইঙ্গিত করেছেন অন্য ঘটনা। কমিশনের মন্তব্যে উঠে এসেছে অন্য কথা। পার্ক স্ট্রিটের ঘটনা ধর্ষণই নয়। এমনই মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার।  
 
 কাকলি ঘোষদস্তিদারের এই  মন্তব্যের জেরে এবার স্বতঃপ্রণোদিত উদ্যোগ নিল রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিসের কমিশনারের কাছে। তৃণমূল সাংসদ কী বলেছিলেন তা জানতে কাকলি ঘোষদস্তিদারের বক্তব্যের ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। তৃণমূল সাংসদ কী বলেছিলেন তা জানতে কাকলি ঘোষদস্তিদারের বক্তব্যের ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। মামলা কী অবস্থায় রয়েছে তা জানাতে হবে। মূল অভিযুক্তকে ধরার ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানাতে হবে।
 
তিন সপ্তাহের মধ্যে পুলিস কমিশনারকে এই রিপোর্ট দিতে হবে। ওই নির্দেশে যে বক্তব্য জানিয়েছে কমিশন তাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন বলেছে, এই রিপোর্ট দেওয়ার সময় যেন দিল্লির তদন্তের ঘটনা মাথায় রাখা হয়। পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডকে দিল্লির ঘটনার সঙ্গে তুলনা টেনে কার্যত কলকাতা পুলিসের সমালোচনাই করেছে কমিশন। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ওই ঘটনা ঘটলেও এখনও মামলার চার্জ গঠনই হয়নি। এমনকী মূল অভিযুক্তও এখনও ধরা পড়েনি। বরং মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে পুলিস কমিশনার এবং হালফিল, সাংসদ কাকলী ঘোষদস্তিদারের মন্তব্যে অন্য ইঙ্গিত মিলেছে। অথচ দিল্লির ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যেই সব অপরাধী ধরা পড়েছে এবং চার্জশিট তৈরি করে ফেলেছে পুলিস। এই অবস্থায় দিল্লির ঘটনা মনে রেখে রিপোর্ট দিতে বলার অর্থ, ফের রাজ্য সরকার আর কমিশনের সংঘাত।






Post Your Comment

Total Comments:2

প্রতিতা দলের নেতা নির্বাচনের আগে সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ২০ বছর বয়েস থেকে চারিত্রিক সংসা পত্র নেওয়া উচিত নাহলে বরতমান সরকারের নেতাদের জা অবস্থা হছে তাই হবে ।এই ক্ষেত্রে মহিলা বা পুরুস ভেদা ভেদ দেখলে হবে না ।যদি বিবাহিত বা বিবা হিতা হন তাহলে তার স্ত্রির কাছ থেকে ও সংসা পত্র নিতে হবে । নাহলে রাস্তা দিয়ে হাঁটা চলা করা দুস্কর হয়ে যাবে ।

TRINAMUL MINISTERS DO NOT RUN AFTER HUMANITY,DIGNITY OR KNOWLEDGE TO THE CONTRARY PEOPLE RUN AFTER TRINAMUL TO FIND OUT WISDOM.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।